ফলকনুমা এক্সপ্রেস থেকে নেমে খড়্গপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ইতস্তত ভাবে ঘোরাফেরা করেছিলেন এক ব্যক্তি। তাঁকে আটক করে প্রায় ৯৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করল জিআরপি।
খড়্গপুর জিআরপি সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তির নাম শান্তিনাথ কোটাল। তিনি কলকাতার বরাহনগরের বাসিন্দা। শনিবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হলে হলে বিচারক ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রায় কোটি টাকার উৎস জানতে শনিবার খড়গপুর জিআরপি-তে পৌঁছোন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।
এখনও পর্যন্ত পুলিশ যে তথ্য পেয়েছে, সেগুলো হল ধৃত শান্তিনাথ ওড়িশার কটকে সোনার কারিগর হিসাবে কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে খড়্গপুর স্টেশনের ৫-৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে তিনি ঘোরাফেরা করছিলেন। ট্রলি এবং একটি ব্যাকপ্যাক নিয়ে ফলকনুমা এক্সপ্রেস থেকে নেমেছিলেন তিনি। কর্তব্যরত জিআরপি কর্মীরা তাঁকে ওই ভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে পরিচয় জানতে চান। প্রশ্ন করা হয়, তাঁর বাড়ি কোথায়, তিনি কোথায় যাবেন।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, ওই প্রশ্নেরই জবাব সটান পালানোর চেষ্টা করেন প্রৌঢ়। তাঁর পিছু নেয় রেলপুলিশ। স্টেশন চত্বর থেকেই আটক করা হয় ওই ব্যক্তিকে। তাঁর ব্যাগ খুলে দেখা যায় প্রচুর টাকা। জানা যায়, ফলকনুমা এক্সপ্রেস থেকে নেমে লোকাল ট্রেন ধরে তিনি হাওড়া যাবেন বলে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
শান্তিনাথের ব্যাকপ্যাক থেকে মেলে ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তাঁর ট্রলি খুলে ব্যাগ থেকে ৮৯ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়। তাছাড়াও দু’টি দামি মোবাইল উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিন্তু সোনার কারিগর এত টাকা কোথায় পেলেন, তা-ই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কটক থেকেই তিনি ওই টাকা নিয়ে আসছিলেন, এ সম্পর্কে নিশ্চিত তদন্তকারীরা। কিন্তু টাকার উৎস জানা যায়নি। এখন পুলিশের হেফাজতে থাকা শান্তিনাথকে জেরা করবেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা।