বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কৃষির আয়-ব্যয়ের হিসেবের উপর সামগ্রিক প্রকল্প’-এর উদ্যোগে এক কর্মশালা হল মেদিনীপুরে। মঙ্গলবার জেলা পরিষদের পরিকল্পনা ভবনে এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের অন্যতম আধিকারিক অমিত রায়, জেলা কৃষি আধিকারিক নিমাই রায়, জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ। প্রকল্প আধিকারিকেরা চাষিদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেন। আধিকারিকদের বক্তব্য, চাষিরা যত নিঁখুত পরিসংখ্যান দেবেন, কোন চাষে কি খরচ, ফসল বিক্রি করেই বা কত টাকা আসে প্রভৃতি জানাবেন, ততই সরকারের পরিকল্পনা তৈরি করতে সুবিধে হবে। চাষে প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়। এক আধিকারিকের কথায়, “আমরা চাষের সেই সব পদ্ধতি সম্পর্কেই কৃষককে উত্সাহিত করি, যা কৃষককে লাভের মুখ দেখায়। ফসলের গুণগত মান বাড়ানোর উপরও জোর দিই।’’ জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ নির্মলবাবুর কথায়, “পশ্চিমবাংলায় অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করতে হয়। পঞ্জাবে এক- এক জনের এক হাজার-দেড় হাজার বিঘা জমি রয়েছে। আর এখানে এক- একজনের চার- পাঁচ বিঘা জমি রয়েছে। অনেকেই ঝুঁকির কথা ভেবে চাষে বৈচিত্র্য আনতে চান না। কৃষকদের অনেক বোঝাতে হয়।’’ তাঁর কথায়, “পশ্চিমবাংলাই একমাত্র রাজ্য যারা কৃষকের জীবনের মানোন্নয়ন দিয়ে কৃষির উন্নতির পরিমাপ করে। উন্নত করতে পারবো।’’ কর্মশালায় ১৩০ জন চাষি উপস্থিত ছিলেন।