Advertisement
E-Paper

ছাত্র সমাবেশেও বিজেপিকে সমালোচনায় বিঁধল তৃণমূল

বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার তৃণমূল নেতৃত্বও। বুধবার দলের ছাত্র সমাবেশে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও সেটি বুঝিয়ে দিলেন তাঁরা। সভায় উপস্থিত দলীয় নেতৃত্বের সকলেরই বক্তব্যের একটা বড় অংশে জুড়ে থাকল বিজেপির সমালোচনা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:৩৮
বক্তব্য রাখছেন অশোক রুদ্র।—নিজস্ব চিত্র।

বক্তব্য রাখছেন অশোক রুদ্র।—নিজস্ব চিত্র।

বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার তৃণমূল নেতৃত্বও। বুধবার দলের ছাত্র সমাবেশে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও সেটি বুঝিয়ে দিলেন তাঁরা। সভায় উপস্থিত দলীয় নেতৃত্বের সকলেরই বক্তব্যের একটা বড় অংশে জুড়ে থাকল বিজেপির সমালোচনা।

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র যেমন বললেন, “হঠাত্‌ করে কিছু লোক, যারা বাংলার সংস্কৃতি জানে না, কৃষ্টি জানে না, বাংলার সংগ্রামের প্রেক্ষাপট জানে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিষ্ঠা জানে না, যাদের নাম নেই, গোত্র নেই, তারা এসে বলছে, ‘ভাগ মমতা ভাগ’। এত বড় স্পর্ধা!” তাঁর কথায়, “মনে রাখবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করা মানে বাংলার সাড়ে ন’কোটি মানুষকে অপমান করা। এমন একদিন আসবে, যে দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ধরে ওদের ক্ষমা চাইতে হবে। বলতে হবে, যা বলেছিলাম না জেনে না বুঝে বলেছিলাম!” নাম না করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “গব্বর সিংহের মতো দেখতে লোকটি কলকাতায় এসে কিছু কথা বলে চলে গেলেন। মনে রাখবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মা- মাটি- মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন। নেত্রীকে কেউই এ ভাবে কালিমালিপ্ত করতে পারবেন না।”

এ দিন মেদিনীপুর শহরের গাঁধীমূর্তির পাদদেশে ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করেছিল জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি দীনেন রায়, জেলা চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক মৃগেন মাইতি, জেলা কার্যকরী সভাপতি প্রদ্যোত্‌ ঘোষ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি রমাপ্রসাদ গিরি প্রমুখ। গাঁধীমূর্তির পাদদেশে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর একটি। এখানে রাস্তার একপাশে সমাবেশ চলায় এ দিন যান চলাচলও ব্যাহত হয়। অবশ্য যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। ছাত্র সমাবেশে ভিড়ও ততটা ছিল না। দুপুর গড়াতেই ভিড় পাতলা হতে শুরু করে। বক্তব্য রাখতে উঠে ছাত্র সংগঠনের রাজ্য সভাপতি অশোকবাবুকে এও বলতে হয়, “আমি জানি সেই সকাল ন’টা- সাড়ে ন’টায় সভা শুরু হয়েছিল! আর এখন চারটে বাজে।” ছাত্র সংগঠনের রাজ্য সভাপতি যখন বক্তব্য রাখছেন, তখন বেশ কিছু চেয়ারই ফাঁকা। কেন? তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি রমাপ্রসাদ অবশ্য তাঁর মতো করে যুক্তি সাজিয়েছেন। রমাপ্রসাদের কথায়, “আসলে কিছু লাল চেয়ার ছিল। আমাদের ছাত্রছাত্রীরা লাল চেয়ারে বসতে চাননি! ওদের এখনও লালের প্রতি ঘৃণা রয়েছে। এটা দেখে আমি খুশিই হয়েছি!” তৃণমূলের এক ছাত্র নেতা মানছেন, “জেলা সমাবেশে জমায়েতটা আর একটু বেশি হলে ভাল হত।”

tmc bjp medinipur
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy