Advertisement
E-Paper

দীপিকার ৪০ বছরের জন্মদিন! লিঙ্গসাম্যের ডাক থেকে এনআরসি-বিরোধিতা, একাধিক বিষয়ে সরব হয়েছেন তিনি

১৮ বছর বলিউডে কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। বর্তমানে ভারতের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি একজন। তবে শুধু অভিনয়ই নয়, অভিনয়ের বাইরে তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ বিশেষ ছাপ রেখেছে সমাজে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:০২
৪০ বছরের জন্মদিন দীপিকার!

৪০ বছরের জন্মদিন দীপিকার! গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সোমবার, ৫ জানুয়ারি ৪০ বছরের জন্মদিন দীপিকা পাড়ুকোনের। কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ২০০৫ সালে, মাত্র ২০ বছর বয়সে। মার্জার সরণি থেকে শুরু হয়েছিল সফর। তার পর থেকে একাধিক বিজ্ঞাপন ও মিউজ়িক ভিডিয়োয় কাজ। ২০০৭ সালে বলিউডে পা রাখেন দীপিকা। প্রথম ছবিতেই বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনয়।

‘ওম শান্তি ওম’ ছবিতে শান্তিপ্রিয়ার চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন দীর্ঘাঙ্গী অভিনেত্রী। এর পরে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি দীপিকাকে। ১৮ বছর বলিউডে কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। বর্তমানে ভারতের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে শুধু অভিনয়ই নয়, তার বাইরে তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ বিশেষ ছাপ রেখেছে সমাজে। তাই আন্তর্জাতিক মঞ্চেও বিশেষ ব্যক্তিত্ব হিসাবে তিনি আজ পরিচিত।

কোন কোন বিষয়ে দীপিকা মানুষকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন এবং নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন ?

১) ২০১৫ সালে নিজের অবসাদগ্রস্ততা নিয়ে কথা বলা শুরু করেন। মানসিক অসুস্থতা যে কোনও অসুখের মতোই, এই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বার বার। নিজের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘লিভ লভ লাফ’-এর মাধ্যমে মানসিক চাপ ও উদ্বেগে ভোগা মানুষদের অনুপ্রেরণা জোগানোর কাজ করে চলেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নিজের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলেছেন অকপটে।

২) বলিউড বরাবর নারী ও পুরুষের পারিশ্রমিকে বড় ফারাক দেখে এসেছে। এই বৈষম্য নিয়ে একাধিক বার সরব হয়েছেন দীপিকা। পুরুষ অভিনেতাদের অগ্রাধিকার দিয়ে প্রযোজকেরা তাঁকে কম পারিশ্রমিকের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বড় মানের ছবি হলেও, সেই কাজ থেকে বেরিয়ে আসতে দু’বার ভাবেননি দীপিকা। স্পষ্ট বলেছিলেন, “আমি আমার কাজের রেকর্ড জানি। তাই আমার মূল্য কত হতে পারে, সেটাও জানি।”

৩) আট ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না। জানিয়ে দিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। কর্মজীবনের ভারসাম্য নিয়েও কথা বলেছেন। সন্দীপ রেড্ডী বাঙ্গার বড় বাজেটের ছবি ‘স্পিরিট’-এ এই শর্ত রেখেছিলেন। বাদ পড়তে হয়েছে তাই তাঁকে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন দীপিকা। অনেকেই তাঁর এই দাবির সঙ্গে সহমত। দীপিকার এই পদক্ষেপ অন্য অভিনেতাদেরও মুখ খুলতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

৪) সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সাবলীলতা এবং বিশ্ব নাগরিকত্ব নিয়েও বিশেষ বার্তা দিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। একজন আন্তর্জাতিক মানের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’ হিসাবে তিনি মনে করেন যে, স্থানীয় ঐতিহ্যকে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যেমন কিছু দিন আগেই আবু ধাবির বিজ্ঞাপনে গ্র্যান্ড মসজিদে হিজাব পরতে দেখা গিয়েছিল দীপিকাকে। আবার কান চলচ্চিত্র উৎসবে শাড়ি পরতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। পোশাক ও সংস্কৃতির মধ্যে সম্পর্ক যে নিবিড়, সেই বার্তা দিয়েছেন তিনি।

৫) সমাজে নারী ও পুরুষের সমানাধিকার নিয়েও কথা বলেছেন দীপিকা। ধারাবাহিক ভাবে একজন নারীর শরীর, পোশাক এবং জীবনধারা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারকে সমর্থন করেছেন। নারীর স্বাধীনতার কথা মাথায় রেখেই ‘ছপক’-এর মতো ছবি করতে উৎসাহিত হয়েছিলেন তিনি।

৬) ২০২০ সালে জেএনইউ-তে (জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়) এনআরসি ও সিএএ-বিরোধী আন্দোলন চলছিল। সেই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন দীপিকা। শামিল হয়েছিলেন আন্দোলনে। তবে মুখে কোনও কথা বলেননি তিনি। দীপিকার এই পদক্ষেপ নিয়ে সেই সময়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তবে নিজের সেই পদক্ষেপ নিয়ে পরে কোনও ব্যাখ্যা দেননি দীপিকা।

Deepika Padukone
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy