অভাবের সংসারে মেয়েকে মামার বাড়িতে রেখে এসেছিলেন বাবা-মা। সেখানেই চলছিল পড়াশোনা। কিন্তু ‘অনেকে হয়েছে’ বলে নবম শ্রেণির ছাত্রীটির বিয়ের ব্যবস্থা করে ফেলে পরিবার। পাত্র পাশের গ্রামের সঞ্জয় মণ্ডল, পেশায় দিন মজুর। কিন্তু বাধ সাধলেন বিডিও। শুক্রবার পটাশপুর ২ ব্লকের পাটনা গ্রামে গিয়ে বিডিও শুভজিৎ কুণ্ডু বিয়ে বন্ধ করেন। আশ্বাস দেন ওই ছাত্রীর পড়াশোনার সব খরচ বহন করবে সরকার। তিনি বলেন, ‘‘সচেতনতা ও সহায়তা প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও কিছু মানুষ এ ধরনের কাজে মদত দিচ্ছেন। এটা দুর্ভাগ্যের।’’ এমনকী প্রশাসন সূত্রে খেদ প্রকাশ করা হয়েছে, নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করতে স্থানীয় পঞ্চায়েতের তরফেও সচেতন করার প্রয়োজনীয়তা আছে। কিন্তু পাটনা গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যা শাশ্বতী পাল ছাত্রীটির বাড়িতে যাননি, প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতাটুকু করেননি। শাশ্বতীদেবী অবশ্য বলেন, ‘‘প্রশাসনই বিয়ে বন্ধ করেছে বলে শুনেছি। বিয়ে গোপনেই হচ্ছিল তার মামার বাড়ি ছাড়াদিঘি গ্রাম থেকে। আমার জানা ছিল না।’’