চাপানউতোরে তাল কাটল কলেজের নবীনবরণের। শুক্রবার বেলদা কলেজে অনুষ্ঠান মঞ্চে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জয়ন্তকিশোর নন্দী থাকায় ছাত্র সংসদের ঘরে বসে ছিলেন জলসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। বন্ধ করে দেওয়া হয় অনুষ্ঠানও। পরে মন্ত্রী মঞ্চে উঠলে ফের শুরু হয় অনুষ্ঠান। তৃণমূলের জেলা কর্মাধ্যক্ষ সূর্য অট্টের মতে, ‘‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক খারাপ হতেই পারে। কিন্তু এটা অসৌজন্য।’’ জয়ন্তবাবু ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হওয়ার পরেই তাঁর শংসাপত্র ভুয়ো বলে অভিযোগ উঠেছিল। মন্ত্রী সৌমেনবাবুর মত ছিল, জয়ন্তবাবুর পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত। সেই থেকে দু’জনের সম্পর্ক খারাপ। মন্ত্রী কলেজ ছাড়ার পরে হাতাহাতিতে জড়ান পড়ুয়ারাও। যদিও জয়ন্তবাবু বলেন, ‘‘আমার সঙ্গে মন্ত্রীর দেখা হয়নি। গোলমালের কথা জানা নেই।’’ অার মন্ত্রীর বক্তব্য, “যাঁকে রেজিস্ট্রার বলে প্রচার করা হচ্ছে তিনি আসলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার। ছাত্ররা সেটা জানে বলে গোলমাল বেধেছিল বলে শুনেছি। আমার অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধে মঞ্চে যাওয়ার কথা থাকায় ছাত্র সংসদের ঘরে যাই।” অধ্যক্ষ মানবেন্দ্র মণ্ডল ফোন ধরেননি। গোলমালের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুমন চন্দ।