সবং বিডিও অফিসের বাইরে শুক্রবার অবস্থানে বসে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির চাপে কাজ করছেন বিডিও। তাই তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিডিওকে বারবার জানিয়েও সুরাহা হয়নি। তাই তদন্তের দাবিতে অবস্থানে বসেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।
দীর্ঘক্ষণ অবস্থানের পরে মহকুমাশাসক পৌঁছলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। পরে তদন্তের আশ্বাসে সন্ধ্যায় অবস্থান উঠে যায়। জেলা পরিষদ সদস্য অমূল্য মাইতি বলেন, “বিডিও পঞ্চায়েত সমিতির চাপে নিরপেক্ষ কাজ করছেন না।’’ দীর্ঘক্ষণ অবস্থানের পরে আসেন খড়্গপুরের মহকুমাশাসক সঞ্জয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘‘বহুদিন বিডিও অফিসে কর্মীর অভাব ছিল বলে তদন্ত করা যাচ্ছিল না। তবে এ বার কিছু ক্ষেত্রে তদন্ত করব। অবশ্য বিধবা, বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছে না এই অভিযোগ ঠিক নয়। আর গীতাঞ্জলি প্রকল্পে ঠিক কী হয়েছে তা খতিয়ে দেখে বলতে হবে।”
বিডিও বিকাশ মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। আর কংগ্রেস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অমল পণ্ডার মন্তব্য, ‘‘আমাদের অপদস্থ করতে বিডিও-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে এ সব করছে তৃণমূল।’’