Advertisement
E-Paper

বইমেলায় রঙিন ক্যানভাস

‘একা নয় একসাথে, এ বার বইমেলাতে’-১৬ তম খড়্গপুর বইমেলার এটাই স্লোগান। ২ থেকে ১০ জানুয়ারি হবে খড়্গপুর বইমেলা। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে তা জানান বইমেলা কমিটির সভাপতি সাহিত্যিক নন্দদুলাল রায়চৌধুরী, সম্পাদক দেবাশিস চৌধুরী, কার্যকরী সভাপতি শিক্ষক তপনকুমার পাল, কমিটির সদস্য অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়, প্রশান্ত রায়রা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০০:৩৭

‘একা নয় একসাথে, এ বার বইমেলাতে’-১৬ তম খড়্গপুর বইমেলার এটাই স্লোগান।

২ থেকে ১০ জানুয়ারি হবে খড়্গপুর বইমেলা। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে তা জানান বইমেলা কমিটির সভাপতি সাহিত্যিক নন্দদুলাল রায়চৌধুরী, সম্পাদক দেবাশিস চৌধুরী, কার্যকরী সভাপতি শিক্ষক তপনকুমার পাল, কমিটির সদস্য অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়, প্রশান্ত রায়রা। মেলার উদ্বোধন করবেন পথিক গুহ ও ইমদাদুল হক। ৩ জানুয়ারি কবি সম্মেলনে লোককবি ভবতোষ শতপথীকে সম্মানিত করা হবে। মেলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার বইয়ের স্টল থাকবে। মিশ্রভাষী শহর হওয়ায় থাকবে হিন্দি, তেলুগু, ওড়িয়া-সহ বিভিন্ন ভাষার বইয়ের সম্ভার। প্রয়াত সাংসদ নারায়ণ চৌবের ছোট ছেলে মানসের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর পরে বড় ছেলে গৌতম বাবা ও ভাইয়ের নামে মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গড়েন। শহরে বইমেলারও পরিকল্পনা করেন তিনি। ২০০০ সালে ১৮টি স্টল নিয়ে যাত্রা শুরু করে খড়্গপুর বইমেলা। পনেরো বছরে স্টলের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬০।

শিশুদের কাছে বইমেলাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে এ বারের স্লোগান ‘শিশুদের মেলা সকলের সাথে’। স্টলগুলি সাজানো হবে বিভিন্ন আঁকার স্কুলের দু’শো শিশুর ৬০টি ছবির ক্যানভাস দিয়ে। ছোটদের অঙ্কের বইয়ের স্টলও হচ্ছে। বইমেলা কমিটির কার্যকরী কমিটির সদস্য অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সুকুমার রায়ের ‘আবোল-তাবোল’-এর চরিত্র নিয়ে পৃথক একটি প্যাভিলিয়ন হচ্ছে। আমরা চাই শিশুরা আরও বেশি করে বইমেলায় আসুক।’’

বইমেলার লিটল ম্যাগাজিনের প্যাভিলিয়নটি মেদিনীপুরের অমৃতলোক পত্রিকার সম্পাদক সমীরণ মজুমদারকে উৎসর্গ করা হচ্ছে। মেলার প্রতি দিন থাকছে নানা অনুষ্ঠান। ৮ জানুয়ারি তপনকুমার পাল ও প্রশান্তকুমার রায়ের পরিচালনায় স্কুলপড়ুয়াদের নিয়ে ক্যুইজ, ৯ জানুয়ারি আধুনিক ও ছড়ার গানের উপরে সঙ্গীত প্রতিযোগিতা হবে। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ‘টুনটুনির গল্প’ নিয়ে পুতুল নাচ, শ্রীমন্তী দাশগুপ্তের ছোটদের আবৃত্তি, প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যয়ের সরোদ ফিউশন, রামচন্দ্র পাল ও রবীন ভট্টাচার্যর ছড়ার লড়াই, সৌম্য ভট্টাচার্যের লোকসঙ্গীত পরিবেশিত হবে। মেলার শেষ দিনে রূপম ইসলামের ব্যান্ড ‘ফসিলস’-এর অনুষ্ঠান। ১৯ ডিসেম্বর ইন্দায় ও ৩১ ডিসেম্বর মালঞ্চয় পদযাত্রা হবে। মেলা কমিটি। সাহিত্যিক নন্দদুলালবাবু বলেন, ‘‘বই পড়া কমেনি। বরং বেড়েছে। সকলের সহযোগিতায় এই বইমেলা এগিয়ে যাবে বলে আমার আশা।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy