Advertisement
E-Paper

সংশোধনাগারে গোয়েন্দা কর্তা

মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার পরিদর্শন করলেন রাজ্য গোয়েন্দা দফতরের পদস্থ কর্তারা। নেতৃত্বে ছিলেন এডিজি (আইবি) বানীব্রত বসু। মেদিনীপুর জেলে এখন যে ১৮ জন মাওবাদী বন্দি তার মধ্যে অন্যতম কল্পনা মাইতি ওরফে অনু। আগে ছত্রধর মাহাতো, রাজা সরখেলরাও এই জেলে ছিলেন। পরে অবশ্য তাঁদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০১৪ ০১:১০
কেন্দ্রীয় সংশোধনগারে পরিদর্শনে গোয়েন্দা কর্তারা। ছবি: রামপ্রসাদ সাউ।

কেন্দ্রীয় সংশোধনগারে পরিদর্শনে গোয়েন্দা কর্তারা। ছবি: রামপ্রসাদ সাউ।

মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার পরিদর্শন করলেন রাজ্য গোয়েন্দা দফতরের পদস্থ কর্তারা। নেতৃত্বে ছিলেন এডিজি (আইবি) বানীব্রত বসু। মেদিনীপুর জেলে এখন যে ১৮ জন মাওবাদী বন্দি তার মধ্যে অন্যতম কল্পনা মাইতি ওরফে অনু। আগে ছত্রধর মাহাতো, রাজা সরখেলরাও এই জেলে ছিলেন। পরে অবশ্য তাঁদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই গোয়েন্দা কর্তারা বুধবার জেল পরিদর্শন করেন বলে সংশোধনাগার সূত্রে খবর। জেল কর্তৃপক্ষের মতে, এটা প্রশাসনিক ব্যাপার। এ দিন সকাল ১০টা ৪০ নাগাদ আসেন গোয়েন্দা কর্তারা। সঙ্গে ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষও। ঘন্টা দেড়েক থেকে ১২টা ২০ নাগাদ তাঁর জেল থেকে বেরোন।

জেল সূত্রে খবর, সংশোধনাগারে পৌঁছনোর পর এক বৈঠক হয়। ছিলেন এআইজি (কারা) কল্যাণ প্রামাণিক, জেল সুপার খগেন্দ্রনাথ বীর, জেলের চিফ ডিসিপ্লিন অফিসার অসীম আচার্য প্রমুখ। জেল চত্বর কী ভাবে নজরদারির মধ্যে থাকে, এ ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ করা হয়, বৈঠকে তা গোয়েন্দা কর্তাদের জানানো হয়। বৈঠক শেষে বিভিন্ন ওয়ার্ড-সেল পরিদর্শন করেন তাঁরা। শুরুতে যান ৩২ নম্বর সেলে। তারপর একে একে ১, ২, ৩, ৭, ৮, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। জেল চত্বরে থাকা পরিত্যক্ত সেলও ঘুরে দেখেন তাঁরা। পাশাপাশি যান জেল হাসপাতাল, জেলের রান্নাঘরে। সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বারোশোরও বেশি বন্দি থাকেন। এঁদের মধ্যে যেমন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন, তেমন রয়েছেন বিচারাধীন বন্দিও।

জেলের নিরাপত্তা মাঝেমধ্যেই নানা প্রশ্নের মুখে পড়ে। মাস কয়েকের মধ্যে একাধিক বন্দির অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গত এপ্রিলে জেল চত্বরের মধ্যে থেকেই উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দির দেহ উদ্ধার হয়। জেলের মধ্যে মাদক পাচারের ঘটনাও ঘটে। বছর দুয়েক আগে বানীব্রত বসু তৎকালীন আইজি (কারা) রণবীর কুমারকে এক চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছিলেন। যে চিঠিতে জেলে থাকা মাওবাদী বন্দিদের কাছে মোবাইল, গোপন চিঠি, নগদ টাকা এমনকী মাদক দ্রব্য, এমন নানা ‘নিষিদ্ধ বস্তু’ সরবরাহের ক্ষেত্রে এক জেলকর্মীরই হাত রয়েছে বলে জানানো হয়েছিল। সেই সময় তড়িঘড়ি অবশ্য ওই কর্মীকে মেদিনীপুর থেকে বদলি করে দেওয়া হয়েছিল। জেল সূত্রে খবর, নেতাই কাণ্ডে ধৃত সিপিএম নেতা- কর্মীরা যে ওয়ার্ডে রয়েছেন, এদিন সেখানেও যান গোয়েন্দা দফতরের কর্তারা। সংশোধনাগারের মধ্যেকার সার্বিক পরিস্থিতিই তাঁরা খতিয়ে দেখেন। এ দিন গোয়েন্দা কর্তারা ঝাড়গ্রাম উপ সংশোধনাগারও পরিদর্শন করেন।

medinipur central correctional home visit of state ib officer
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy