Advertisement
E-Paper

দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হরিণঘাটায়! বিয়ে হয়েছিল মাত্র আট মাস আগেই, আত্মহত্যা কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ

মাত্র আট মাস আগেই বিয়ে হয়েছিল মীরা এবং অর্ণবের। এরই মধ্যে মীরার মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে পরিবার। এটি কোনও আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ বধূর বাপেরবাড়ির সদস্যেরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ১৭:৩৯

— প্রতীকী চিত্র।

দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল নদিয়ার হরিণঘাটায়। শ্বশুরবাড়ির একটি ঘরে প্রথমে বধূর দেহ উদ্ধার হয়। তার কিছু ক্ষণ পরেই পাশের ঘর থেকে উদ্ধার হয় স্বামীর দেহ। মৃতদের নাম মীরা সরকার (২২) এবং অর্ণব সরকার (২৭)। দম্পতির দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। কী ভাবে তাঁদের মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করে ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মাত্র আট মাস আগেই বিয়ে হয়েছিল মীরা এবং অর্ণবের। এরই মধ্যে মীরার মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে পরিবার। এটি কোনও আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ বধূর বাপেরবাড়ির সদস্যেরা। মীরার বাবার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে মানসিক অত্যাচার চলত তাঁর মেয়ের উপর। অতীতেও মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে অশান্তি হয়েছিল। পরে তিনি তা মিটমাট করিয়ে দিয়েছিলেন। এ অবস্থায় মেয়ে এবং জামাইয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার বধূর শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। তাঁর সন্দেহ, মেয়েকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও শ্বশুরবাড়ির সদস্যেরা ওই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। স্বামী-স্ত্রী কেন এমন চরম পদক্ষেপ করলেন, তা কারও জানা নেই বলেই দাবি শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের।

হরিণঘাটার ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। রানাঘাট পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ ধাপোলা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। সেই অশান্তির জেরে ওই দম্পতি একই সঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ। তিনি আরও জানান, দম্পতির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

haringhata
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy