মঙ্গলবার জামাই এসে কাগজে সই করিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার ঠিক পরের দিন বুধবার সকালে উদ্ধার হল শাশুড়ির ঝুলন্ত দেহ। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার রুকুনপুর মামুদপুর এলাকার ঘটনা। মৃত্যুর নেপথ্যে ওই সই করিয়ে নেওয়া কাগজটির কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।
মৃতার নাম নীলিমা হোর (৪৮)। পরিবার সূত্রে খবর, মাস ছয়েক আগে কাশিমবাজার এলাকায় জামাইয়ের বাড়ি থেকে নীলিমাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার পর থেকেই রুকুনপুর মামুদপুরে বাপের বাড়িতে বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে থাকছিলেন তিনি। স্বজনদের দাবি, মঙ্গলবার আচমকাই জামাই সেখানে এসে নীলিমাকে দিয়ে একটি কাগজে সই করিয়ে নিয়ে যান। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার সকালে নিজের ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না জড়ানো অবস্থায় উদ্ধার হয় তাঁর দেহ।
আরও পড়ুন:
ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিজনরা তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় থানায়। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
ওই কাগজে ঠিক কী লেখা ছিল এবং কেনই বা সই করানো হয়েছিল, তা নিয়ে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার শিকড়ে পৌঁছতে চাইছে প্রশাসন। শোকস্তব্ধ এলাকায় পরিবারের তরফে এই মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।