মামার বাড়িতে থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি গাছ থেকে উদ্ধার হল এক কিশোরের ঝুলন্ত দেহ। শুক্রবার মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার মান্থারা গ্রামের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় বড়ঞা থানার পুলিশ। মৃতদেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, প্রতিবেশী গ্রামের এক নাবালিকার সঙ্গে প্রেমঘটিত টানাপড়েনের জেরেই এই মর্মান্তিক পরিণতি। তবে এটি আত্মহত্যা না কি খুন, তা নিয়ে দানা বাঁধছে রহস্য।
মৃতের নাম বিষ্ণু ভল্লা (১৭)। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণু আদতে নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা হলেও বড়ঞার মান্থারায় মামার বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করত। গত সোমবার হঠাৎই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। তিন দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে ফিরে এলেও দিনভর অত্যন্ত বিমর্ষ অবস্থায় ছিল ওই কিশোর বলে পরিবারের দাবি। সন্ধ্যায় সে ফের নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে রাত ১টা নাগাদ মামার বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে একটি গাছে তাঁর দেহ ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে বড়ঞা থানার পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন:
মৃতের বাবা ও জামাইবাবুর দাবি, পাশের গ্রামের এক নাবালিকার সঙ্গে বিষ্ণুর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের টানাপড়েনেই এই ঘটনা ঘটেছে। যদিও মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। বড়ঞা থানা একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। এটি নিছকই আত্মহত্যা না কি অন্য কিছু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই তা স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।