Advertisement
E-Paper

কৃষ্ণনগরে উদ্ধার প্রায় ৭ কোটির সোনা! বাংলাদেশ থেকে পাচারের ছক বানচাল করল ডিআরআই

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আকাশছোঁয়া। এর মধ্যে সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানের প্রবণতা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। নদিয়া জেলার মতো সীমান্তঘেঁষা এলাকাগুলিকে পাচারের ‘ট্রানজ়িট রুট’ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:১৯

—প্রতীকী চিত্র।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সোনা পাচারের ছক ছিল। আগেভাগে সেই খবর পেয়ে পরিকল্পনা ভেস্তে দিল ‘ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স’ (ডিআরআই)-এর আধিকারিকেরা।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে হানা দিয়ে প্রায় ৪.৯ কেজি বিদেশি সোনা উদ্ধার করেছেন আধিকারিকেরা। বাজেয়াপ্ত সোনার বর্তমান বাজারমূল্য ৬ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার সকালে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নদিয়ার বড় আন্দুলিয়া থেকে চাপড়াগামী রাস্তায় নজর রাখছিলেন তদন্তকারীরা। লক্ষ্মীগাছা মোড়ের কাছে এক বাইকচালককে আটকান তাঁরা। অভিযুক্তকে তল্লাশি করতেই মেলে ২১টি হলুদ ধাতব বস্তু। প্রাথমিক পরীক্ষায় জানা যায়, সেগুলো বিদেশি ছাপযুক্ত সোনার বার। সঙ্গে কিছু খুচরো সোনাও ছিল। অভিযুক্তের কাছে ওই সোনা সংক্রান্ত বৈধ নথিপত্র কিছু ছিল না। নিজের পরিচয়পত্রও দেখাতে পারেননি তিনি। খানিক ক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি স্বীকার করেছেন, উদ্ধার হওয়া সোনাগুলি বাংলাদেশ থেকে অবৈধ ভাবে ভারতে পাচার করা হয়েছিল।

তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, সীমান্ত পার করার পর স্থানীয় একটি কোনও পাচার চক্রের মাধ্যমে ওই সোনাগুলি দেশের অভ্যন্তরে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। উদ্ধার হওয়া সোনাগুলি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১৯৬২ সালের শুল্ক আইনের নির্দিষ্ট ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এই পাচারকাণ্ডের নেপথ্যে আরও কোনও বড় মাপের আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। বিশেষ করে সোনা পাচারের রুট এবং কারা এই চক্রের স্থানীয় সহযোগী, তা জানতে ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করার পরিকল্পনা করছে ডিআরআই।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আকাশছোঁয়া। এর মধ্যে সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানের প্রবণতা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। নদিয়া জেলার মতো সীমান্তঘেঁষা এলাকাগুলিকে পাচারের ‘ট্রানজ়িট রুট’ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বুধবারের ঘটনার পরে নদিয়া-সহ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে খবর। গোয়েন্দারা মনে করছেন, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এগুলো সুসংগঠিত সিন্ডিকেটের কাজ। সীমান্তের ও পার থেকে সোনা এনে কলকাতা বা দিল্লির মতো শহরগুলিতে পৌঁছে দেওয়াই এই চক্রের কাজ।

Nadia Gold Smuggler arrest
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy