Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

অপেক্ষার প্রহর পেরিয়ে ভাতা আর আসে না

২৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:০০
পুকুর নয়, নর্দমার জল জমে এমনই অবস্থা। মানকুমারী কলোনিতে। স্বর্ণময়ী বাজার থেকে শ্রীগুরু পাঠশালা যাওয়ার রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে পাথর। ছবি: নিজস্ব চিত্র

পুকুর নয়, নর্দমার জল জমে এমনই অবস্থা। মানকুমারী কলোনিতে। স্বর্ণময়ী বাজার থেকে শ্রীগুরু পাঠশালা যাওয়ার রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে পাথর। ছবি: নিজস্ব চিত্র

• পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে যে কার্ড বিলি হচ্ছে তাতে দেখা যাচ্ছে প্রকৃত অর্থে যারা দরিদ্র সীমার নীচে বাস করেন না এমন লোকজনও দু’টাকা কিলোগ্রাম দরে চাল ও গম পাবে। এটা কি করে সম্ভব হল?

জগন্নাথ সরকার, ভাকুড়ি হালদারপাড়া

কার্ডের বিষয়টি সম্পূর্ণ খাদ্য দফতরের অধীনে। বহরমপুরের বিডিও-র অনুরোধে পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে ওই ডিজিটাল রেশন কার্ড বিলি করা হয়েছে। তবে বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমি বিষয়টি বিডিও-র সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার অনুরোধ করব, যাতে প্রকৃত অর্থে যারা দরিদ্র সীমার নীচে বাস করে তারা দু’টাকা কিলোগ্রাম দরে চাল ও গম পান।

Advertisement

• আবেদন করা সত্ত্বেও এলাকার অনেকে এখনও পর্যন্ত বার্ধক্য ভাতা ও বিধবা ভাতা পাচ্ছেন না। ওই তালিকায় তাঁদের এখনও পর্যন্ত নাম ওঠেনি। ওই তালিকা প্রকাশের ব্যাপারে কোনও তথ্য পঞ্চায়েত দফতরের জানা আছে?

অন্নপূর্ণা হালদার, হালদারপাড়া

ষাট বছর বয়স হলেই এবং বিপিএল তালিকায় তাঁর নাম থাকলেই তিনি বার্ধক্য ভাতা পাবেন এমনটা কিন্তু নয়। সব মিলিয়ে পি-২ স্কোর ২৭ হলে তবেই তিনি বার্ধক্য ভাতা পাবেন। তবে আমাদের পঞ্চায়েতে যত আবেদনপত্র জমা পড়েছে, সব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত গত দু’তিন বছর ধরে ওই তালিকা প্রকাশিত হয়নি। বিষয়টি ব্লক প্রশাসন থেকে জেলা প্রশাসনের কর্তাদের জানিয়েছি। কিন্তু তাঁদের কাছেও কোনও সদুত্তর নেই।

• গত চার পাঁচ মাস ধরে বিধবা ভাতা পাচ্ছি না। এ ব্যাপারে পঞ্চায়েত দফতর কি আমাদের মতো বিধবাদের কোনও সাহায্য করতে পারে না?

সবিতা সাহা, হাইস্কুলপাড়া

বিধবা ভাতার টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। এ ব্যাপারে আমাদের করণীয় কিছু নেই। তবে পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে আমি প্রশাসনের কাছে দরবার করতে পারি, যাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিধবা ভাতা দেওয়ার যায়। গোটা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। তাঁরাও বিষয়টি দেখছি
বলে জানিয়েছেন।

• মানকুমারীপাড়ার ভেতরে একটা ফাঁকা জমি রয়েছে। নিকাশি নালা না থাকায় আশপাশের বাড়ির ড্রেনের নোংরা জল সেখানে জমা হয়। ওই জমা জল থেকে এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।

নিকুঞ্জবিহারি পাল, মানকুমারী

উনি ঠিকই বলেছেন। ওই এলাকায় ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রায় দু’তিন কাঠার নিচু জমি রয়েছে। সেখান দিয়ে ড্রেনের জল বের হতে পারে না। ওই নিচু জমিতে জল জমে থাকে। সেখানে মাটি ফেলে সমান করে বাড়িঘর তৈরি হলে ওই সমস্যা থাকবে না। তবে বর্তমানে এলাকার মানুষের স্বার্থে নিকাশি নালা তৈরি করার প্রয়োজন রয়েছে। ওই নিকাশি নালা নির্মাণে যে অর্থ খরচ হবে তা পঞ্চায়েতের পক্ষে করা সম্ভব নয়। মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতির কাছে বিষয়টি জানানো হবে।

• সুতির মাঠ থেকে সেবা সমিতি হয়ে বটতলা দক্ষিণপাড়া যাওয়ার প্রায় চারশো মিটার রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। কবে সংস্কার করা হবে?

বিদ্যুৎ পাল, সুতির মাঠ

উন্নয়নমূলক খাতে গত কয়েক বছর ধরে কোনও অর্থ পাচ্ছি না। ফলে ওই রাস্তা সংস্কারের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা আমাদের নেই। বিষয়টি বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদকে জানিয়েছি।

আরও পড়ুন

Advertisement