Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কান্দি মাস্টার প্ল্যানের কাজ না হলে তৃণমূলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আদালতে তোলার হুমকি দিলেন বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী তথা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী। বুধবার কান্দি বিধানসভা এলাকার লাহারপাড়ায় প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অধীর বলেন, “চিটফান্ড নিয়ে আপনার দলের অনেক নেতা মন্ত্রী যে চোর সেটা প্রমাণিত হয়েছে। চোর-চিট্টা-বাটপার, এই নিয়ে তৃণমূল সরকার।

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০১৪ ০০:৪৪

কান্দিতে মাস্টার প্ল্যান নিয়ে সরব অধীর

নিজস্ব সংবাদদাতা • কান্দি

বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কান্দি মাস্টার প্ল্যানের কাজ না হলে তৃণমূলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আদালতে তোলার হুমকি দিলেন বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী তথা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী। বুধবার কান্দি বিধানসভা এলাকার লাহারপাড়ায় প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অধীর বলেন, “চিটফান্ড নিয়ে আপনার দলের অনেক নেতা মন্ত্রী যে চোর সেটা প্রমাণিত হয়েছে। চোর-চিট্টা-বাটপার, এই নিয়ে তৃণমূল সরকার। চিটফান্ড নিয়ে আপনার নেতা, মন্ত্রীরা আদালতে যাচ্ছে, আর আমি আপনাকে কান্দি মাস্টার প্ল্যান নিয়ে আদালতে তুলব।” অধীরের দাবি, কান্দি বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়ে ওই প্ল্যান অনুমোদন করে আনা হয়েছে। ৪৩৯ কোটি টাকার ওই প্রকল্পে কেন্দ্র দেবে ৫০ শতাংশ আর রাজ্য দেবে ৫০শতাংশ। কিন্তু রাজ্য পরে জানায় যে তারা ওই টাকা দিতে পারবে না। ফের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ধরে আরও ২৫ শতাংশ টাকা অনুমোদন করিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও রাজ্য সরকার ২৫ শতাংশ টাকা দিতে চাইছে না বলে অভিযোগ তোলেন অধীরবাবু। তিনি বলেন, “ওই একই সময়ে এই রাজ্যের জন্য দু’টি বন্যা নিয়ন্ত্রণে মাস্টার প্ল্যান অনুমোদন পেয়েছিল। একটি কান্দি মাস্টার প্ল্যান, অন্যটি মেদিনীপুরের কেলেঘাই কপালেশ্বরী মাস্টার প্ল্যান। অধীরের অভিযোগ, “মুর্শিদাবাদে যেহেতু তৃণমূল ক্ষমতায় নেই, তাই রাজ্য সরকার ওই কাজ আমাদের জেলায় করছে না। আমাদের জেলার লোক ভাল থাক, সুস্থ থাক সেটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চান না। আর মেদিনীপুরে তৃণমূল আছে তাই ওই জেলায় ওই প্ল্যানের কাজ শুরু হয়েছে। আমরা ভারতবর্ষের কংগ্রেস দল করি। আমরা যে কাজ করব বলি সেই কাজ না করে ছাড়ি না।”

বিজেপিকেই নিশানা তৃণমূলের সভায়

নিজস্ব সংবাদদাতা • ধুবুলিয়া

ঘণ্টা দেড়েকের সভার সিংহভাগ সময় জুড়েই বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করল শাসকদল। বুধবার চাপড়ার বাঙালঝির মাঠে কৃষ্ণনগর লোকসভার সাংসদ-প্রার্থী তাপস পালের সমর্থনে এক জনসভায় শাসকদলের নেতারা কার্যত কু-কথায় স্রোত বইয়ে দিলেন। সভায় হাজির ছিলেন তৃণমূলের সদ্য-নির্বাচিত রাজ্যসভার সাংসদ চিত্রাভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র-সহ জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত প্রমুখ। মিঠুন চক্রবর্তী হেলিকপ্টার থেকে নামেন পৌনে চারটে নাগাদ। তার ঘণ্টা খানেক আগে থেকেই জেলা নেতারা একে একে বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে সুর সপ্তমে তোলেন। এ দিন যখন চাপড়ায় শাসকদল সুদৃশ্য মঞ্চ বেধে সভা করছিল, ঠিক সেই সময়েই কৃষ্ণনগরে সভা করছিলেন বিজেপি’র প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী। গৌরীশঙ্করবাবু মোদীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘‘ওর ক্ষমতা থাকলে বাংলার কোনও শরণার্থীকে তাড়িয়ে দেখুক। আমরা ওকে ফুটবলের মত লাঠি মেরে গুজরাতে পাঠিয়ে দেব।’ বিজেপি-র প্রার্থী সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়ের পাশাপাশি কংগ্রেস প্রার্থী ও স্থানীয় সিপিএম নেতাদের উদ্দেশেও অসৌজন্যমূলক মন্তব্য করেন গৌরীবাবু। কৃষ্ণনগর লোকসভায় বিজেপি’র মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, ‘‘আসলে আমাদের উত্থানে আতঙ্কিত হয়ে উনি এই ধরনের আলটপকা মন্তব্য করছে।”

তাপস পালের জনসভায় মিঠুন চক্রবর্তী

ছবি: কল্লোল প্রামাণিক।

তেহট্টের শ্যামনগর ফুটবল ময়দানে কৃষ্ণনগরের প্রার্থী তাপস পালের সমর্থনে জনসভায় এলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “বাংলায় এখন অন্য রকম খেলা চলছে। কাটাকুটির খেলা। এই বাংলাকে বিভাজন করার চেষ্টাকে বন্ধ করতে তৃণমূলকে জেতান। মমতা দিদিকে যত বেশি আসনে জিতিয়ে দিল্লিতে পাঠাবেন তাতে বাংলার সুবিধা হবে, দিদির হাত শক্ত হবে।” মিঠুন বলেন, “বন্দুক দেখে চিত্রাভিনেতাদের তৃণমূলে আসতে হয়নি। সবাই এসেছেন দিদির ভালবাসায়, উন্নয়নের শরিক হতে। গত কয়েকদিনে সারা বাংলা ঘুরে নিজের চোখে দেখে এলাম দিদি কত বাংলার উন্নয়ন করেছেন।”

গাড়ির তেল শেষ

মাঝপথে তেল শেষ। দাঁড়িয়ে থাকল পুলিশের গাড়ি। বুধবার দুপুরে বাঁকুড়ার বারিকুল থানার সাব-ইন্সপেক্টর প্রকাশ রায়-সহ কয়েক জন পুলিশকর্মী গাড়িতে করে বুথে বুথে ঘুরছিলেন। মুচিকাটা গ্রামের কাছে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। এক পুলিশ আধিকারিকের আক্ষেপ, ‘‘যা তেল বরাদ্দ হয়েছে, তার থেকে বেশি ঘুরছে গাড়ি। অত তেল কোথায়?”

সবিস্তারে দেখতে ক্লিক করুন

বজ্রাঘাতে মৃত্যু

বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। মৃতের নাম ব্যস্ত হাজরা (৩২)। তাঁর বাড়ি বড়ঞার সূর্যবাটিতে। বুধবার বিকালে ওই যুবক খেত থেকে বাড়ি ফিরে তিনটি ছাগলকে বাড়ির উঠান থেকে গোয়ালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলে মারা যান ব্যস্ত। মারা যায় তিনটে ছাগলও। অন্য দিকে ফরাক্কার পলাশি গ্রামে বুধবার দুপুরে বাজ পড়ে মৃত্যু হল আনন্দ ঘোষ (৪৪) নামে এক মৎস্যজীবীর। আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। এদিন দুপুরে গঙ্গায় মাছ ধরে বাড়ি ফিরছিলেন ওই মৎস্যজীবীরা।

বহরমপুরে ব্রাত্য

তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেনের হয়ে বুধবার বহরমপুরে প্রচারে এলেন ব্রাত্য বসু, মানিক ভট্টাচার্য, কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী, সাবিত্রী মিত্র। তিনটে সভা করেন তাঁরা। ব্রাত্য বলেন, “মমতা নায়ক-গায়কদের নিয়ে আশ্চর্য এক ফ্রন্ট গড়েছেন। ইন্দ্রনীল সেই ফ্রন্টের একজন সৈনিক।” ব্রাত্যর দাবি, “বহরমপুরও একদিন তৃণমূল দুর্গ বলে পরিচিত হবে।”

দুর্ঘটনা

শাসকদলের জনসভাতে আসার পথে বুধবার চাপড়ার শোনপুকুরের কাছে একটি গাড়ি উল্টে গিয়ে ৩০ জন জখম হয়েছেন। তার মধ্যে দু’জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শক্তিনগর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িতে সুটিয়া থেকে আসছিল ওই দলটি।

বড়ঞায় আগুন

আগুনে পুড়ে গিয়েছে একটি বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাগোয়া আরও তিনটে বাড়ি। বুধবার দুপুরে বড়ঞার কাঁতুর গ্রামের ঘটনা। পরে কান্দি থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

অল্পের জন্য রক্ষা পেল মিঠুন চক্রবর্তীর হেলিকপ্টার। বুধবার নওদায় একটি সভায় আসার পথে তাঁর

হেলিকপ্টার নামার সময় সামনে উড়ে আসে ছাতা, তোয়ালে, টুপি। তবে বড় কোনও বিপর্যয় হয়নি। ছবি: গৌতম প্রামাণিক।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy