Advertisement
E-Paper

বাঁশবাগানে প্রৌঢ়ের দেহ, শুরু রাজনীতি

বাঁশবাগানে উদ্ধার হল এক প্রৌঢ়ের দেহ। মৃত নবি মল্লিকের (৫৫) বাড়ি চাপড়ার তালুকহুদা গ্রামে। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি বাঁশ বাগানের ভিতরে মৃতদেহটি উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় মৃতের পরিবার কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না করলেও রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, মৃত ব্যক্তি তাদের দলের সমর্থক, সিপিএমের লোকজন খুন করেছেন তাঁকে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩৬
মৃতের স্ত্রী ও মেয়ে। নিজস্ব চিত্র।

মৃতের স্ত্রী ও মেয়ে। নিজস্ব চিত্র।

বাঁশবাগানে উদ্ধার হল এক প্রৌঢ়ের দেহ। মৃত নবি মল্লিকের (৫৫) বাড়ি চাপড়ার তালুকহুদা গ্রামে। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি বাঁশ বাগানের ভিতরে মৃতদেহটি উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় মৃতের পরিবার কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না করলেও রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, মৃত ব্যক্তি তাদের দলের সমর্থক, সিপিএমের লোকজন খুন করেছেন তাঁকে। সিপিএমের বক্তব্য, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে অশান্তির জেরেই এই মৃত্যু। জেলার পুলিশ সুপার সব্যসাচীরমণ মিশ্র বলেন, ‘‘মৃত্যুর কারণ এখনও বোঝা যাচ্ছে না।

ময়না-তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই সেটা পরিষ্কার হবে।’’

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পাশের পাড়ার এক মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল নবি মল্লিকের। এই নিয়ে তাঁর পরিবারে অশান্তি লেগেই ছিল। নবির দুই ছেলে প্রতিবাদ করতেন মাঝেমধ্যে। শনিবার রাতেও বাড়িতে অশান্তি হয়েছিল। তারপরে নবি মল্লিক বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। বন্ধ ছিল মোবাইল ফোন। রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। রবিবার সকালে গ্রামের মানুষ বাঁশ বাগানের ভিতরে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁকে। প্রাথমিক ভাবে মৃতদেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মৃত নবি শেখের পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূল দলের সমর্থক হলেও সক্রিয় ভাবে রাজনীতি করতেন না। তাঁর ভাই ফুলছরাত মল্লিক অবশ্য দাবি করেন, ‘‘আমার দাদা তৃণমূল করত। তাকে খুন করেছে গ্রামেরই সিপিএ-এর লোকজন।’’ তাহলে কেন পুলিশের কাছে এই নিয়ে অভিযোগ করলেন না? তিনি বলেন, ‘‘আমরা আগে ময়না-তদন্তের রিপোর্ট দেখে মৃত্যুর কারণ নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে চাইছি। তারপরে সিদ্ধান্ত নেব।”

জেলা তৃণমূলের সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘‘ওই ব্যক্তি আমাদের দলের কর্মী। তাঁকে খুন করেছে সিপিএম-এর লোকজন। চাপড়া থানার ওসিকে সরিয়ে দিল নির্বচন কমিশন। তার বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে আমাদের দলের একজনকে খুন হতে হল। জানি না নির্বাচন কমিশন আর কী কী সিদ্ধান্ত নেবে। আর তার জন্য এমন আর কী কী ঘটনা ঘটবে।”

সিপিএম-এর জেলা কমিটির সদস্য ও চাপড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সামসুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘‘এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। মৃত ব্যক্তির সঙ্গে গ্রামেরই এক মহিলার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ভোট এলে তৃণমূল মৃত্যু নিয়ে এই ভাবেই রাজনীতি করে।”

chapra nobi mallik
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy