করিমপুর বইমেলা
সাত দিনের ‘করিমপুর বইমেলা’ রবিবার ষষ্ঠ দিনে পড়ল। বইমেলার সাংস্কৃতিক মঞ্চে প্রতিদিন অনুষ্ঠিত হয়েছে নানা অনুষ্ঠান। মঙ্গলবার ‘বইয়ের জন্য হাঁটুন’ পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয়েছিল বইমেলা। সন্ধ্যায় শ্রুতি লিখন প্রতিযোগিতা, মহিলা প্রাণায়াম শিবিরের বিশেষ অনুষ্ঠান ও মুক্তধারা (ওমেনস ড্রামা ইউনিট) এর নাটক। বুধবার ছিল চিত্রাঙ্কন ও ক্যুইজ। সন্ধ্যায় ‘মৃদঙ্গম’-এর নাচ ও সুরগান্ধার সঙ্গীত। বৃহস্পতিবার তাৎক্ষণিক ছড়া তৈরির প্রতিযোগিতা ও ‘কথা ও কলি’ র নৃত্যানুষ্ঠান। শুক্রবার শিশুদের আবৃতি, সঙ্গীত ও দলগত নৃত্য সহযোগে ‘শিশু উৎসব’। সন্ধ্যায় শিশুদের নাটক ও শম্ভু মিত্রের শতবর্ষ পূর্তি স্মরণে অনুষ্ঠান ‘রং-বেরং’। শনিবারে ছিল ‘বিদ্যালয়ে পাশ ফেল ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা’ বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ক্যুইজ ও নাটক। রবিবারে হল কবি সম্মেলন ও শ্রুতি নাটক প্রতিযোগিতা। আজ সোমবার বইমেলার শেষদিন আবৃত্তি ও কবিতা পাঠের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সন্ধ্যায় লালন ফকির বাউল উৎসব হওয়ার কথা।
সাংস্কৃতিক মেলা
রবিবার শান্তিপুরের বাবলা গোবিন্দপুরে শুরু হল বিবেকানন্দনগর প্রগতির সাংস্কৃতিক মেলা-২০১৬। এ দিন মেলার উদ্বোধন করেন বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের প্রকল্প তত্ত্বাবিধায়ক স্বাগতা দাস মুখোপাধ্যায়। মেলায় প্রতিদিনই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকছে। তার মধ্যে পুতুলনাচ, লালনগীতি, নাটক ঝুমুর গান ও ধামসা মাদলের বোলে নাচ উল্লেখযোগ্য। মেলা চলবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
সঙ্গীত সম্মেলন
২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ষড়জ-এর উদ্যোগে কৃষ্ণনগরের রবীন্দ্রভবনে অনুষ্ঠিত হল ২০ তম কৃষ্ণনগর সঙ্গীত সম্মেলন। প্রথমেই ২৫ জন শিল্পী এক সঙ্গে তবলা বাজান। খেয়াল পরিবেশন করেন কন্ঠশিল্পী পিউ মুখোপাধ্যায়, তবলায় শুভ্রাংশু চক্রবর্তী ও হারমনিয়ামে সনাতন গোস্বামী। সব শেষে তবলা লহরায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন স্বপন চৌধুরী।
নাট্যোৎসব
অন্য চুপকথা নাট্যগোষ্ঠীর পরিচালনায় স্থানীয় সম্প্রীতি মঞ্চে হয়ে গেল দু’দিনের নাট্যোৎসব। শনিবার শর্মিলা মৈত্র রচিত ও বিদ্যুৎশঙ্কর বিশ্বাস নির্দেশিত ‘ভারসাম্য’ ও বিমল বন্দোপাধ্যায় রচিত ও সন্দীপ বসু নির্দেশিত ‘একটি অবাস্তব গল্প’ মঞ্চস্থ হয়। শেষদিন সঙ্গীতা চক্রবর্তী রচিত ও বিদ্যুৎশঙ্কর বিশ্বাস নির্দেশিত ‘থিম থিম থিম’ নাটকটি মঞ্চস্থ হয়।
পাঠাগারে মেলা
৩১ ডিসেম্বর থেকে বেথুয়াডহরিতে দেশবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার অঙ্গনে অনুষ্ঠিত হল বেরেথি নাট্যোৎসব ২০১৫-১৬। উৎসব চলে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। মঞ্চস্থ হয় নাটক ‘একটি ঐতিহাসিক সূর্যাস্ত’ ও কলকাতার বিশ্বরূপম মঞ্চস্থ্ করে ‘পলিটিকস’। ১ জানুয়ারি বেরেথির ‘সুখনগরের শান্তিরানী’, ২ জানুয়ারি শান্তিপুর সাংস্কৃতিকের ‘বৃষ্টি-বৃষ্টি’ ও ৩ জানুয়ারি দেশবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের নাটক ‘রক্ত গোলাপ’ মঞ্চস্থ হয়।
আলোচনাসভা
মঙ্গলবার থেকে চারদিনব্যপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল বাদকুল্লা ভ্রাতৃশ্রী সঙ্ঘ। রক্তের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা, অঙ্কন, আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্য-সহ নান সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বর্ষবরণ
‘মিলনসেতু’ পত্রিকার উদ্যোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় চাকদহে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য ও কবিতা পাঠ করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক আনন্দমোহন মণ্ডল, কবি প্রাণবল্লভ রায়, রবিশঙ্কর সেন, অর্পিতা মণ্ডল-সহ অন্যেরা।
পত্রিকা প্রকাশ
‘দর্পণ... মুখের খোঁজে’ নতুন পত্রিকা প্রকাশ করল। রবিবার করিমপুর বইমেলা সাংস্কৃতিক মঞ্চে ‘এবং শান্তি’ নামে ত্রয়োদশতম বর্ষের ৩৫তম ওই পত্রিকা প্রকাশিত হল।
কবিতা উৎসব
রবিবার চিত্রবনে অনুষ্ঠিত হল জলঙ্গি কবিতা উৎসব। উৎসবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবিরা যোগ দেন। সকাল থেকে কবিতাপাঠ ও নানা অনুষ্ঠান হয়।