Advertisement
E-Paper

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খুন! দাবি চন্দ্রনাথের পড়শিদের, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি না-হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার ডাক

পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে চন্দ্রনাথের বাড়ি। বুধবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানান প্রতিবেশীরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ মে ২০২৬ ০৯:০২
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ।

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। ছবি: সংগৃহীত।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে! এমনই মনে করছেন চন্দ্রনাথের প্রতিবেশীরা। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে চন্দ্রনাথের বাড়ি। বুধবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আসেন প্রতিবেশীরা। চন্দ্রনাথের বাড়িতে যান কাঁথির বিজেপি সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীও।

প্রতিবেশীদের এক জন বলেন, “হঠাৎ দেখি, টিভিতে দেখাচ্ছে চন্দ্রকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। আমরা অবাক হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই ওকে খুন করা হয়েছে।” চন্দ্রনাথের প্রতিবেশীদের একাংশ জানান, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক। না-হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।

বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় বাইকে করে এসে চন্দ্রনাথের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গাড়িতে চন্দ্রনাথের সঙ্গে আর এক যুবকও ছিলেন। তাঁর নাম বুদ্ধদেব বেরা। তাঁদের দু’জনকেই উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বুদ্ধদেবকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতার ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। রাত ১টার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছোন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। শুভেন্দু এবং চন্দ্রনাথের স্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে ডিজির। চন্দ্রনাথের স্ত্রী ডিজিকে বলেন, “স্বামীকে তো ফিরে পাব না। কিন্তু কারা এটা করল, আমি জানতে চাই। তাদের এনকাউন্টার চাই।’’

শুভেন্দু জানান, এই খুনের সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে। তবে তা নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চান না তিনি। রাজ‍্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। শুভেন্দুর দাবি, সঠিক তদন্তের স্বার্থেই ফুটেজের বিষয়ে কোনও তথ্য চাওয়া হয়নি পুলিশের কাছ থেকে। তিনি আরও জানান, তদন্তের জন্য পুলিশের উপরেই ভরসা রাখা হচ্ছে। দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আইন হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য দলের কর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন শুভেন্দু। শান্তি বজার রাখার কথা বলেছেন তিনি। বুধবার হাসপাতাল চত্বর থেকে শুভেন্দুর দাবি, “১৫ বছর ধরে রাজ্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলেছে। বুধবারই খড়দহে বোমা, বরাহনগরে ছুরি ও বসিরহাটে গুলিতে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।’’

Suvendu Adhikari madhyamgram Death Shoot out
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy