Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৯ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে নীলবাতি গাড়ির রহস্য ফাঁস, জানা গেল মালিকের পরিচয়

নিজস্ব সংবাদদাতা
রায়গঞ্জ ২১ অক্টোবর ২০২১ ১৪:০৮
রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে থাকা সেই গাড়ি।

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে থাকা সেই গাড়ি।
—নিজস্ব চিত্র।

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে থাকা নীল বাতি লাগানো একটি গাড়ি নিয়ে দিনভর চাঞ্চল্য। অবশেষে জানা গেল গাড়ির মালিকের পরিচয়। ওই গাড়িটি রাজ্যের প্রাক্তন যুগ্ম সচিব অমলকান্তি রায়ের। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার হেয়ারিং অফিসার পদে কর্মরত। এর পাশাপাশি রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণাও করছেন তিনি। গাড়ির মালিকের পরিচয় জানতে পারার পর স্বস্তি ফিরেছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে।

করোনা পরিস্থিতিতে আপাতত বন্ধ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের কাছে একটি গ্যারাজে নীল বাতি লাগানো গাড়ি দেখতে পান অনেকে। কে বা কারা এই গাড়ি ক্যাম্পাসে রেখে গিয়েছেন তা প্রাথমিক ভাবে বুঝতে পারছিলেন না কেউই। গাড়িতে নীল বাতি লাগানো থাকলেও কোনও বিভাগের নাম লেখা ছিল না। ফলে ওই গাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সিসি ক্যামেরা এবং ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে ওই গাড়িটি ক্যাম্পাসে এল তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়েও। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ইন চার্জ তাপস মোহন্ত বলেন, ‘‘গত তিন থেকে চার দিন ধরে একটা গাড়ি পড়ে আছে ক্যাম্পাসে। আমরা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। নিরাপত্তারক্ষীরাও বলতে পারছেন না কী ভাবে গাড়িটি ক্যাম্পাসের মধ্যে এল। নিরাপত্তারক্ষীদের গাফিলতি হয়েছে কি না আমরা তা খতিয়ে দেখব। নীল বাতি লাগানো গাড়ি ক্যাম্পাসে রয়েছে অথচ নিরাপত্তারক্ষীরা বলতে পারছেন না, এটা আশ্চর্যজনক ঘটনা।’’

গাড়ি নিয়ে রহস্য যখন তুঙ্গে তখনই জানা যায় গাড়ির মালিকের পরিচয়। রাজ্যের প্রাক্তন আমলা তথা রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের গবেষক অমলকান্তি বলছেন, ‘‘ওটা আমার গাড়ি। মাঝে মাঝে গাড়ি নিয়ে আসি। ক্লাস নিয়ে বা গবেষণার কাজ করে চলে যাই। সে দিন গাড়ি রেখে তাড়াহুড়ো করে কলকাতা চলে গিয়েছিলাম। তবে বৃষ্টির সময় আর আসতে পারিনি। আজ রায়গঞ্জে এসেছি। বিষয়টি জানার পর আমি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানিয়েছি।’’

আরও পড়ুন

Advertisement