Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

জলের উপরেই রোগীদের শয্যা

নারায়ণ দে
আলিপুরদুয়ার ২৯ মে ২০১৮ ০২:১৫
থইথই: হাসপাতালের করিডরেই জলে শয্যা রোগীদের। নিজস্ব চিত্র

থইথই: হাসপাতালের করিডরেই জলে শয্যা রোগীদের। নিজস্ব চিত্র

জায়গার অভাবে করিডরে থাকা রোগীদের ভুগতে হচ্ছে বর্ষায়। জেলা হাসপতালে পর্যাপ্ত রোগী রাখার জায়গা নেই। এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে যাওয়ার করিডরের মেঝেতেই থাকতে হয় রোগীদের। গত শনিবার আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের পুরুষ বিভাগের করিডরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন এক যুবক। তার জেরেই চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালে। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ভিডিওটি শনিবার সকালে তোলা। সেখানে দেখা যাচ্ছে করিডরে কোনও রোগী শয্যায় রয়েছেন। কেউ মাটিতে গদি পেতে বসে রয়েছেন। অন্য রোগীরা হাতে স্যালাইনের বোতল নিয়ে জল পেরিয়ে যাচ্ছেন। মাটিতে পাতা গদিগুলো জল ছুঁয়ে ভিজে যাচ্ছে। হাসপাতালের সবুজ চাদরগুলো জলে ভিজে যাচ্ছে। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পরে শোরগোল পড়ে যায়।

রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘সমস্যা রয়েছে। হাসপাতালে রোগীর চাপ রয়েছে। করিডরে রোগীরা থাকেন। ভবনের ছাদে নতুন ঘর তৈরি করব। প্রায় নব্বই লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে ঘর তৈরি হলে রোগীদের করিডরে থাকার সমস্যা কমবে।’’

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি তুলে ধরেছেন যিনি, সেই অভ্রদীপ সরকার জানান, গত শনিবার ভোরে পাড়ার এক বয়স্ক লোককে নিয়ে হাসপাতালে যান। সেই সময় করিডরে ওই রোগীকে রাখা হয়। আচমকা বৃষ্টি শুরু হওয়ায় করিডরে হু হু করে জল ঢুকতে থাকে। মেঝেতে বৃষ্টির জল ভরে যায়। বিষয়টি দেখে কর্তৃপক্ষকে বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য তিনি তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর আত্মীয় জানান, সামান্য বৃষ্টি হলে করিডরে হাঁটাই দায়। বেশি বৃষ্টি হলে এক দুই ইঞ্চি জল জমে যায়। আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের সুপার চিন্ময় বর্মন জানান, ভবনটি পুরোনো। হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ২৮২। তবে প্রায় ৫০০ রোগী থাকেন। আগের পুরুষ শল্য বিভাগটিকে সিসিইউতে রূপান্তরিত করা হয়েছে। তাই জায়গা কম। রোগী বেশি হলে করিডরে রাখতে হয়। নতুন ঘরের প্রয়োজন রয়েছে বলে সুপার জানান।

আরও পড়ুন

Advertisement