দেবীর বাহন পেঁচা চার ফুটের। আর দেবীর উচ্চতা ৪২ ফুট।
দুর্গার পরে এ বার লক্ষ্মীপুজোতেও ‘বড়’ চমক। আর সেই চমকই দিতে চাইছে মালদহের আলালের ‘চলো পাল্টাই’ ক্লাব। গত সাত বছর ধরে লক্ষ্মীপুজো করে আসছে ওই ক্লাব। এ বারে ৪২ ফুটের লক্ষ্মীপ্রতিমা গড়ে হইচই ফেলে দিয়েছে ওই ক্লাব। জেলায় এর আগে কোনওদিন এত উঁচু লক্ষ্মীর প্রতিমা গড়া হয়নি বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। গত এক মাস ধরে চলছে ওই বিরাট লক্ষ্মী প্রতিমা তৈরির কাজ। ওই দেবী প্রতিমা দেখতেই এ বার দর্শকদের ঢল নামবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের।
গাজলের আলালের ওই ক্লাব বরাবরই লক্ষ্মীপুজো করে। প্রতি বছর ধুমধাম করে সমৃদ্ধির দেবীর আরাধনার সঙ্গেই নতুন কিছু তুলে ধরা হয়। আর এ বার প্রতিমা গড়েই চমক দিতে তৈরি ওই ক্লাব। এক মাস ধরে প্রতিমা তৈরির কাজ করে চলেছেন সুশীল পাল-সহ তিনজন শিল্পী। বিরাট ওই দেবী প্রতিমা দেখতে কেমন হবে তার আঁচ পেতে এখন থেকেই প্রতিদিন দেবীমূর্তি গড়ার কাজ দেখতে ভিড় করছেন বাসিন্দারা। ভিড় সামাল দিতে পুজোর আগে থেকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। পুজোর সঙ্গেই মণ্ডপে স্বচ্ছ ভারত, নির্মল বাংলা, বাল্যবিবাহ রোধ-সহ সমাজ সচেতনতামূলক নানা প্রচারও থাকছে।
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, উঁচু দেবী প্রতিমার জন্য বিরাট চারদিক ঢাকা মণ্ডপ তৈরি সম্ভব নয়। তাই খোলা মণ্ডপেই থাকবে দেবী প্রতিমা। তবে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে মাথার উপরে ত্রিপল রাখা হবে। মণ্ডপ খোলা হলেও থাকবে জমকালো আলোকসজ্জা। ক্লাবের তরফে পাপ্পু গুপ্ত, সুব্রত বর্মনেরা বলছেন, ‘‘প্রত্যন্ত এই এলাকার পুজোয় দর্শনার্থীদের টানতে এ বার আমরা অন্য রকম কিছু করার কথা ভাবি। সবাই যাতে দেখতে পান সে জন্য পাঁচদিন লক্ষ্মী প্রতিমা মণ্ডপে রাখা হবে। প্রত্যেকদিনই নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও থাকছে।’’