Advertisement
E-Paper

সংস্পর্শে কারা, তন্নতন্ন খোঁজ

এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে ভিন্ রাজ্য বা জেলা ফেরতদের হদিশ পেতে পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি ক্লাবগুলিকেও জুড়ছে প্রশাসন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২০ ০৭:০১
ব্যবস্থা: পুরাতন মালদহের নারায়ণপুরে কোভিড হাসপাতাল ও আইসোলেশন ওয়ার্ড। নিজস্ব চিত্র

ব্যবস্থা: পুরাতন মালদহের নারায়ণপুরে কোভিড হাসপাতাল ও আইসোলেশন ওয়ার্ড। নিজস্ব চিত্র

কেউ ফিরেছেন ওড়িশা থেকে বাসে। কেউ উত্তরপ্রদেশ থেকে ট্রাকে। জেলায় ফিরে স্বাস্থ্য দফতরের পরামর্শ মতো ছিলেন ‘হোম কোয়রান্টিনে’। কিন্তু দীর্ঘ যাত্রাপথে মালদহের নতুন করে ছয় করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে কারা এসেছেন, সেই তালিকা তৈরি করতে এখন হিমসিম খেতে হচ্ছে পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাদের। তাঁদের দাবি, ভিন্ রাজ্য থেকে যাঁরা সরাসরি গৌড়কন্যা বাস টার্মিনাসে হাজির হয়েছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত ভাবে যাঁরা গ্রামে ফিরেছেন তাঁদের সফরসঙ্গীর হদিশ পেতে সমস্যা হচ্ছে। একই সঙ্গে ছড়িয়েছে উদ্বেগও।

এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে ভিন্ রাজ্য বা জেলা ফেরতদের হদিশ পেতে পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি ক্লাবগুলিকেও জুড়ছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই মালদহের হবিবপুর ব্লকের সরকারি নথিভুক্ত ক্লাব, পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেছেন বিডিও শুভজিৎ জানা, আইসি পূর্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়। প্রশাসনের দাবি, গ্রামে ভিন্ রাজ্য বা জেলা থেকে ফিরলে প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারাই জানতে পারবেন। গ্রামবাসীরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানোর পাশাপাশি ওই পরিযায়ীদের বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় কোয়রান্টিন করে রাখবেন। স্বাস্থ্য দফতর থেকে তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই তাঁকে কোয়রান্টিন থেকে বাড়িতে পাঠানো হবে। শুধু হবিবপুর নয়, জেলা জুড়েই সরকারি অনুদান প্রাপ্ত ক্লাবগুলিকে ওই কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্তারা।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা পরীক্ষা হচ্ছে একমাত্র মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত জেলায় করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৬০৭ জনের। জেলায় করোনা আক্রান্ত ১৯ জন। আক্রান্তেরা প্রত্যেকেই ভিন্ রাজ্য ফেরত।

এ দিকে জেলায় করোনা পরীক্ষার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। মালদহের সুজাপুরের কংগ্রেসের বিধায়ক ইশা খান চৌধুরী বলেন, “প্রতি দিন হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক জেলায় ফিরছেন। অথচ দিনে ৩০০-র বেশি করোনা পরীক্ষা জেলায় হচ্ছে না। এখানে গ্রামে গ্রামে গিয়ে করোনা পরীক্ষা করা উচিত।” যদিও করোনা পরীক্ষা লাগাতার হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইংরেজবাজারের তৃণমূলের উপ-পুরপ্রধান দুলাল সরকার। তিনি বলেন, “অনেক সময় ৫০০ জনেরও করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। গ্রামে গিয়েও স্বাস্থ্য দফতর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করছে।”

Coronavirus COVID-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy