Advertisement
E-Paper

করোনায় আক্রান্ত সরকারি আধিকারিকেরা

একসঙ্গে একাধিক আধিকারিক আক্রান্ত হওয়ায় জেলা প্রশাসনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নিয়েও সমস্যা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে, যাতে প্রশাসনিক কাজে কোনও অসুবিধে না হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রেই জানা গিয়েছে, কোচবিহারে বৃহস্পতিবার পর্য়ন্ত ৩৮১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩২০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আক্রান্তদের ওই সংখ্যার বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক।

নিজস্ব সংবাদদাতা 

শেষ আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২০ ০৪:৫০
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

উত্তরবঙ্গে আক্রান্ত পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। ফ্রন্টলাইনে থেকে যাঁরা করোনামুক্ত জেলা তৈরির কাজ করছিলেন, প্রশাসনের সেই আধিকারিকদের কয়েকজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আর তাতেই জেলায় উদ্বেগ বেড়েছে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অনেকেই। আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জেলা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার কোচবিহার জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, প্রশাসনের করোনা যোদ্ধাদের মধ্যে ৫ জনের লালারসের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁদের সংস্পর্শে কারা এসেছেন তাঁদের খোঁজ করেও লালারস পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। গোটা উত্তরবঙ্গে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। কোচবিহারেও সেই সংখ্যা চারশো ছুঁইছুঁই। কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান বলেন, “প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।” কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি উমাকান্ত বর্মণ বলেন, “লকডাউনের জন্য আপাতত জেলা পরিষদ বন্ধ থাকবে। দূষণমুক্ত করেই অফিস ফের চালু করা হবে।”

প্রশাসন সূত্রেই জানা গিয়েছে, জুন মাসে কোচবিহারে ফিরতে শুরু করেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। সেই সময় নিউ কোচবিহার স্টেশনের শ্রমিকদের দেখভাল করা, নির্দিষ্ট গাড়িতে তাঁদের নিজের নিজের মহকুমা ও ব্লকে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেই কাজে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে পুলিশকর্মীরাও ছিলেন।

শুধু তাই নয়, সেই সময় একাধিক কোয়রান্টিন সেন্টার খোলা হয়। সেখানে পরিযায়ী শ্রমিকদের কাউকে দুই সপ্তাহ, কাউকে তারও বেশিদিন রাখা হয়। তারও দায়িত্বে ছিলেন প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই কোনও ভাবে করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসে পড়েন কোনও আধিকারিক। তা থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখনও সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কোনও তথ্য জানা যায়নি। ওই আধিকারিকরা রিপোর্ট আসার আগে অফিস করেছেন। বাড়িতে যাতায়াত করেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁদের সংস্পর্শে অনেকেই এসেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁদের খুঁজে বের করে হোম কোয়রান্টিন করা এবং লালারস পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

একসঙ্গে একাধিক আধিকারিক আক্রান্ত হওয়ায় জেলা প্রশাসনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নিয়েও সমস্যা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে, যাতে প্রশাসনিক কাজে কোনও অসুবিধে না হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রেই জানা গিয়েছে, কোচবিহারে বৃহস্পতিবার পর্য়ন্ত ৩৮১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩২০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আক্রান্তদের ওই সংখ্যার বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক।

Coronavirus COVID-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy