কানাইয়ালাল অগ্রবালের সঙ্গে আব্দুল করিম চৌধুরীর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে এল। বুধবার ইসলামপুরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে বসে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্যদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম চৌধুরী সরাসরিই বলেন, ‘‘দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি মনে করেন, কানাইয়ালালকে তিনি দলে নেবেন, তা হলে করিম চৌধুরীকে সরে যেতে হবে।’’
ইসলামপুর পুরসভা বোর্ড দখল করতে সচেষ্ট তৃণমূলের নেতৃত্ব। শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যে গোয়ালপোখরের একটি সভায় দাবি করেছেন, ইসলামপুর পুরসভা হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। ইসলামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান কানইয়ালাল অগ্রবালও বলেন, ‘‘মানসিক দিক থেকে আমরা প্রস্তুত তৃণমূলে যাওয়ার ক্ষেত্রে। বাকিটা আলোচনার বিষয়।’’
করিম চৌধুরী প্রসঙ্গে কানাইয়ালাল অগ্রবাল বলেন, ‘‘বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। উনি ঠিক করবেন, তৃণমূলে থাকবেন না কি ছাড়বেন।’’
তবে এর ফলে তাঁদের ওই মন্তব্যের ফলে কানাইয়ালাল অগ্রবালের সঙ্গে আবদুল করিম চৌধুরীর যে দীর্ঘদিনের অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়েছে তা প্রকাশ পেয়েছে। তবে করিম চৌধুরীর ঘনিষ্ট মহল সূত্রে খবর, কংগ্রেসে থাকাকালীনই করিম চৌধুরীর সঙ্গে কানহাইয়ালালের দ্বন্দ্ব ছিল। এমনকি তাঁর জন্যই কংগ্রেস ছেড়েছেন করিম চৌধুরী। এবার কানহাইয়ালাল তৃণমূলে যোগ দিলে করিম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনে তার প্রভাব পড়বে বলেই মনে করেন এলাকার বাসিন্দারা।
এই প্রসঙ্গে উত্তর দিনাজপুরের জেলা তৃণমূল সভাপতি অমল আচার্য বলেন, ‘‘করিম চৌধুরী অনেক শ্রদ্ধেয় নেতা। বয়সেও প্রবীণ। তবে দলে কে আসবেন সে সিদ্ধান্ত দলনেত্রীই নেবেন। এ বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।’’