Advertisement
E-Paper

এসআইআরের নোটিস নিতে গিয়ে বিএলও-র বাড়িতেই মৃত্যু! মানসিক চাপে স্ট্রোক হয়েছিল, দাবি পরিবারের

এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআর নিয়ে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মারা গিয়েছেন ৬৪ বছরের রহমান বস্তাদার।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:০০

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম (এআই প্রণীত)।

ছেলের নামে এসআইআরের নোটিস এসেছে শুনে নিজেই বিএলও-র বাড়ি চলে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ। বিএলও নথিপত্র ঘেঁটে নোটিস খুঁজছিলেন। ঠিক তখনই টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়লেন বৃদ্ধ। এবং মৃত্যু!

ঘটনাস্থল কোচবিহারের মাথাভাঙা। ফের এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হল রাজনৈতিক তরজা। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআর নিয়ে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মারা গিয়েছেন ৬৪ বছরের রহমান বস্তাদার।

মাথাভাঙা-২ ব্লকের পারডুবি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২/১১৮ বুথের বাসিন্দা রহমান। তাঁর ছোটছেলে আমিনুর রহমানের নামে এসআইআরের নোটিস আসে। খোঁজখবর করে রহমান জানতে পারেন আমিনুরের নাম ভোটার তালিকায় হয়েছে ‘আমিনুল’। মানসিক ভারসাম্যহীন পুত্রকে নিয়ে চিন্তিত বাবা ফোন করেন সংশ্লিষ্ট বুথের আধিকারিককে। তাঁর কাছ থেকে নোটিসের বিষয়টি জানার পর থেকে দুশ্চিন্তায় ছিলেন বৃদ্ধ। রহমানের বড়ছেলে হাফিজুল বস্তার বলেন, ‘‘দু’দিন ধরে উদ্বিগ্ন ছিলেন বাবা। আজ সকালে বিএলও-র বাড়িতে নোটিস আনতে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে স্ট্রোক হয়। হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। ডাক্তারবাবু বললেন, আমার বাবা আর নেই!’’ যুবকের দাবি, এসআইআর-আতঙ্কে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে।

বিএলও চিনুমণি মণ্ডল রায় বলেন, ‘‘আমি ওঁকে ফোন করিনি। উনি নিজেই সকালে আসেন। ওঁর ছোট ছেলের নামে নোটিস আছে কি না, জানতে চান। আমি কাগজপত্র ঘেঁটে তাঁকে জানাই, তাঁর পুত্রের নামে নোটিস রয়েছে। তিনি আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে টেবিলে মাথা রেখে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বাড়িতে খবর দিয়েছি। বাড়ির লোকজন ওঁকে নিয়ে যান।’’

তৃণমূলের অভিযোগ, এসআইআরের আতঙ্কে একের পর এক মানুষ মারা যাচ্ছেন। এতগুলো মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন। অন্য দিকে, বৃদ্ধের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করলেও তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি।

SIR West Bengal SIR Cooch Behar Death
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy