Advertisement
E-Paper

‘তৃণমূলে থেকে আর লড়াই সম্ভব নয়’, কংগ্রেসে যোগদান মেখলিগঞ্জের পুরপ্রধানের! লাইনে আরও ৫ কাউন্সিলর

নয় আসন বিশিষ্ট মেখলিগঞ্জের আট কাউন্সিলর ছিলেন তৃণমূলের। এক জন যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এখন ওই আট কাউন্সিলরের মধ্যে পুরপ্রধান-সহ ছ’জন কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হল হাত শিবিরও।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬ ১৮:৪৬
কংগ্রেসে যোগদান মেখলিগঞ্জের তৃণমূল পুরপ্রধান প্রভাত পাটনির।

কংগ্রেসে যোগদান মেখলিগঞ্জের তৃণমূল পুরপ্রধান প্রভাত পাটনির। —নিজস্ব চিত্র।

কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ পুরসভা হাতছাড়া তৃণমূলের। জেলার ছ’টি পুরসভার মধ্যে মেখলিগঞ্জের পুরপ্রধান প্রভাত পাটনি তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন কংগ্রেসে। তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচ তৃণমূল কাউন্সিলর হাত শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নিলেন শুক্রবার।

নয় আসন বিশিষ্ট মেখলিগঞ্জের আট কাউন্সিলর ছিলেন তৃণমূলের। এক জন যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এখন ওই আট কাউন্সিলরের মধ্যে পুরপ্রধান-সহ ছ’জন কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হল হাত শিবিরও। এক জন কাউন্সিলর জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূলেই থাকবেন।

তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরে মেখলিগঞ্জের পুরপ্রধান প্রভাতের মন্তব্য, ‘‘জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতার কার্যালয় থেকে আমি তৃণমূলে যোগ দিলাম। আমি মেখলিগঞ্জে ফিরে গেলে আরও পাঁচ কাউন্সিলর জাতীয় কংগ্রেসের যোগদান করবেন।’’

ঘাসফুল ছাড়া নিয়ে পুরপ্রধানের বক্তব্য, ‘‘তৃণমূলে থেকে লড়াই করা আর সম্ভব নয়। কারণ অভ্যন্তরীণ লড়াই নিয়েই ব্যস্ত এই দল। এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষায় কংগ্রেসে যোগদান করতে হল।’’ একই সঙ্গে বিজেপিকে নিশানা করেছেন প্রভাত। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল, ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’। কিন্তু বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে জাতীয় কংগ্রেসের হাত ধরে আমদের বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। নতুন সরকার গঠনের পর থেকে সাধারণ মানুষের জীবিকা চলে যাচ্ছে। হকারদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এ সবের বিরুদ্ধে আমাদের আগামিদিনের লড়াই।’’

মেখলিগঞ্জের পুরপ্রধান জানিয়েছেন, তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় যাননি তিনি। কারণ, জেলা নেতৃত্ব নাকি আলোচনা করার মতো অবস্থাতেই নেই। নেতাদের কেউ যোগাযোগ রাখছেন না। যদিও কোচবিহারে তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, ‘‘মেখলিগঞ্জ পুরসভার বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। এই অবস্থায় দল ছেড়ে অনেকেই চলে যাচ্ছেন। কেউ যদি যেতে চান, তাঁকে তো আর আটকে রাখা যায় না।’’ জলিল বলছেন, বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর লড়াই করে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল। কিন্তু রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর মাসখানেকের মধ্যে যাঁরা দলের দুঃসময়ে দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁরা আরও একটু সময় নিতে পারতেন। দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দিতে হবে।

অন্য দিকে, মেখলিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দধিরাম রায় জানান, মেখলিগঞ্জ পুরসভার কাউকে কোন প্রকারের হুমকি বা ভয় দেখায়নি বিজেপি। কারও মনে হয়েছে দলবদল করবেন, করেছেন। বিধায়কের হুঁশিয়ারি, ‘‘কেউ যদি দুর্নীতি করে থাকেন আর ভেবে নেন যে অন্য দলে আশ্রয় নিলে পার পেয়ে যাবেন, তা হলে ভুল ভাবছেন।’’

TMC Congress Mekliganj
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy