পেটের তাগিদে প্রতিবেশী রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজে গিয়েছিলেন। কাজ করতে করতেই মৃত্যু হল মালদহের আরও এক যুবকের। ঘটনাচক্রে, মৃত যুবকের মা মালদহের এক জন পঞ্চায়েত সদস্য। কিন্তু সংসার চলে না। তাই ভিন্রাজ্যে কাজে যেতে হয়েছিল ২২ বছরের যুবককে। এ বার বাড়ি ফিরল তাঁর নিথর দেহ।
আরও পড়ুন:
মালদহের মানিকচক ব্লকের চৌকি মিরদাতপুর অঞ্চলের সালাবাতগঞ্জ এলাকা থেকে কংগ্রেসের প্রতীকে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন রুনা বিবি। কিন্তু আয় বলতে তেমন কিছুই নেই। স্বামী শেখ ইস্রাফিল বয়সের ভারে কাজ করতে পারেন না। তাই স্নাতক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা শেষ করে বিহারে কাজে গিয়েছিলেন ২২ বছরের শেখ সাফি আলম। পরিবার সূত্রে খবর, সপ্তাহখানেক আগেই পটনায় কাজ করতে গিয়েছিলেন সাফি। টাওয়ারে উঠে কাজ করতে গিয়ে পড়ে যান তিনি। তার পর মৃত্যু।
পঞ্চায়েত সদস্যের সংসার চলে না। তাই পেটের তাগিদে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে যেতে হয় অন্যত্র। মালদহে গত কয়েক দিনে একাধিক জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই মিজোরামে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন। এ বার জানা গেল, মা পঞ্চায়েত সদস্য হওয়া সত্ত্বেও পরিবার চালাতে স্নাতক ছেলেকে যেতে হয়েছিল শ্রমিকের কাজে ভিন্রাজ্যে।