Advertisement
E-Paper

হোম থেকে পলাতক ১৯ বালক

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করে হোম থেকে পালাল ১৯ জন শিশু-কিশোর। সোমবার রাতে শিলিগুড়ির বাড়িভাসা এলাকার ওই হোম থেকে আবাসিকরা পালিয়ে যায় বলে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কনসার্ন। মঙ্গলবার সকালে এক জন ফিরে এলেও বাকিদের খোঁজ মেলেনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৫২

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করে হোম থেকে পালাল ১৯ জন শিশু-কিশোর। সোমবার রাতে শিলিগুড়ির বাড়িভাসা এলাকার ওই হোম থেকে আবাসিকরা পালিয়ে যায় বলে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কনসার্ন। মঙ্গলবার সকালে এক জন ফিরে এলেও বাকিদের খোঁজ মেলেনি।

সোমবার রাত আটটা নাগাদ কনসার্নের শিশু কিশোরদের হোমে একজনই নিরাপত্তা কর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, কয়েক জন আবাসিক তাঁর ওপর চড়াও হয়। তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ওই কর্মীর মাথা ফেটে তিনি লুটিয়ে পড়লে আবাসিকেরা পালায় বলে অভিযোগ। হোমের ২৮ জনের মধ্যে ১৯ জনই পালিয়েছিল বলে হোমের তরফে দাবি করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের দাবি, দার্জিলিঙের বাসিন্দা এক কিশোর শিলিগুড়িতে এসে গোলমালে জড়িয়ে পড়ায়, গত ৩ এপ্রিল শিলিগুড়ি পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হোমে পাঠায়। ওই কিশোরের পরিকল্পনাতেই আবাসিকেরা কর্মীদের মারধর করে পালানোর ছক করে। জখম ওই কর্মীকে সোমবার রাতে শিলিগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, মঙ্গলবার তিনি ছাড়া পান। আবাসিকদের কয়েক জন কাটিয়ারগামী ট্রেনে উঠে পালিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার মনোজ বার্মা বলেন, ‘‘মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত হচ্ছে। তল্লাশিও চলছে।’’

এই ঘটনা ফের নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে দার্জিলিং জেলার শিশু-বান্ধব পরিকাঠামো নিয়ে। গত সোমবার হোম থেকে পালানো আবাসিকদের মধ্যে ৭ জন নেপালের বাসিন্দা। নেপালের রাষ্ট্রদূত অফিস থেকে হোমে বেশ কয়েক বার খোঁজখবর করা হলেও, তাদের তরফে কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় আবাসিকদের বাড়ি ফেরানো সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়েছে। বাকিদের মধ্যে ৩ জন ছাড়া সকলেরই বাড়ির ঠিকানা জানা। দিনের পর দিন হোমে বন্ধ থাকায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়াটা স্বাভাবিক বলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের দাবি। সে কারণেই পালানোর প্রবণতা বাড়ে। বিধি মেনে সব হোমে কাউন্সিলিংও হয় না বলে অভিযোগ। কনসার্নের তরফে তাপস কর্মকার দাবি করেন, ‘‘সরকারি হোম না থাকায় অতিরিক্ত আবাসিকদের রাখতে বাধ্য হতে হয়। নিয়ম মেনেই যে আবাসিকদের ঠিকানা জানা রয়েছে, তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা হয়।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy