Advertisement
E-Paper

University of Gour Banga: তছরুপের তদন্তে পড়ে না রিপোর্ট

অভিযোগ উঠতেই ফি বছরই কখনও রাজ্য, কখনও আবার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে খোদ বিশ্ববিদ্যালর কর্তৃপক্ষ। তবে ওই পর্যন্তই, দাবি কর্তৃপক্ষের একাংশের।

অভিজিৎ সাহা 

শেষ আপডেট: ১১ ডিসেম্বর ২০২১ ০৭:৩৪
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

নিয়ম থেকে আর্থিক তছরুপ, এমনই অভিযোগ ‘ফি’ বছরের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। অভিযোগ উঠতেই ফি বছরই কখনও রাজ্য, কখনও আবার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে খোদ বিশ্ববিদ্যালর কর্তৃপক্ষ। তবে ওই পর্যন্তই, দাবি কর্তৃপক্ষের একাংশের। তাঁদের দাবি, তদন্ত কমিটি গঠন হলেও কখনও পেশ হয়নি রিপোর্ট। আর রিপোর্ট পেশ না হওয়ায় পার পেয়ে গিয়েছেন অভিযুক্তরা। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেশ না হওয়ার নেপথ্যেও কি সেই ‘কেউ এক জন,’ উঠছে প্রশ্ন। যদিও কেউ একজনের সন্ধানের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে এগিয়ে যেতে চান কর্তৃপক্ষ।

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন কোনও বিষয় নয়, দাবি কর্তৃপক্ষেরই একাংশের। এক শিক্ষকের কথায়, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই চলছে দুর্নীতি। সেই সময়ও নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। এখনও সেই ধারা অব্যাহত।” দুর্নীতির অসুখ সারছে না কেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা বলেন, “রোগ না সারার পেছনে রয়েছে গোড়ায় গলদ। আসবাব কেনা থেকে শুরু করে সমাবর্তন, ইতিহাস কংগ্রেসের খরচ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া নিয়োগ নিয়েও উঠেছে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিকবার তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষা দফতরের কর্তাদেরও কমিটির মাথায় বসিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা নিয়ম করে তদন্তও করতে আসেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।” তিনি এও বলেন, “তবে ওই পর্যন্তই। তদন্ত হলেও কোনও কমিটিই রিপোর্ট পেশ করেনি। আর রিপোর্ট পেশ না হওয়ায় অভিযোগের ভিত্তিতে নেওয়া হয়নি ব্যবস্থাও।” আর তাতেই লাগাম ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে দাবি কর্তৃপক্ষের।

সম্প্রতি, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও সামনে আসে অনিয়ম। খোদ মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন। এ ছাড়া কেউ এক জন ‘নিয়োগ করাচ্ছে’ বলেও উপাচার্যকে জানান তিনি। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ধামাচাপা দেওয়ার পিছনেও সেই কেউ একজনের হাত থাকতে পারে বলে মত বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের বড় অংশের। সিপিএমের জেলা সম্পাদক অম্বর মিত্র বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর উচিত তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া।” উপাচার্য শান্তি ছেত্রী বলেন, “আগের ঘটনা আমার জানা নেই। এখন বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy