এক মাস আগে নজরদারিতে সফল হয়েছিল উড়ুক্কু যান। এ বার সেই সাফল্যের উপরে ভিত্তি করে সরাসরি হানাদারিতে নামছে কেন্দ্র-রাজ্যের বিশেষ বাহিনী।
ভবানী ভবন সূত্রের খবর, আগামিকাল, শুক্রবার মালদহের গাজোল, বামনগোলা, কালিয়াচক এবং বৈষ্ণবনগরে ওই উড়ুক্কু যানের সাহায্যে পোস্ত চাষের জমি চিহ্নিত করা হবে। সেখান থেকে ছবি পাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই খেত নষ্ট করতে হানা দেবে কেন্দ্রের অধীনস্থ নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এবং রাজ্যের অধীনস্থ কলকাতা পুলিশ, সিআইডি এবং জেলা প্রশাসনের বিশেষ বাহিনী। এই অভিযানের সাফল্য দেখে পরের দফায় বর্ধমান এবং কোচবিহারের দিনহাটা এবং সিতাইতেও একই কায়দায় অভিযান চালানো হবে বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।
পুলিশ সূত্রের খবর, গত মাসে বীরভূমের দুবরাজপুর এবং মালদহে কালিয়াচকে পরীক্ষামূলক ভাবে উড়ুক্কু যান বা ড্রোন ( আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল বা ইউএভি) উড়িয়ে পোস্ত চাষের ছবি তুলেছিলেন পুলিশকর্তারা। সে সময় অবশ্য অভিযান চালানো হয়নি। রাজ্য পুলিশের এক কর্তা জানান, সে দিন শুধু ছবিই তোলা হয়েছিল। এ বার ছবি দেখার কিছু ক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে পোস্ত খেত নষ্টের অভিযান। ‘‘দ্রুত অভিযান চালানোর জন্য যে এলাকার উপরে ড্রোন উড়বে, তার অদূরে কোনও সরকারি অফিসে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে,’’ বলছেন ওই পুলিশকর্তা। রাজ্যে শুধুমাত্র কলকাতা পুলিশের কাছেই ওই উড়ুক্কু যান বা ড্রোন রয়েছে। সেই কারণে কলকাতা পুলিশকেও ওই অভিযানে রাখা হয়েছে।
অক্টোবর-নভেম্বর থেকে পোস্ত চাষ শুরু হয়। পোস্তগাছে ফল আসে ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে।