Advertisement
E-Paper

Flood: ঢিবিতে আশ্রয় পঞ্চায়েত সদস্যেরও, ত্রাণে ক্ষোভ

ত্রাণে চাল পেলেও দুর্গতদের ভাত ফোটানোরও জো নেই।

জয়ন্ত সেন 

শেষ আপডেট: ২৩ অগস্ট ২০২১ ০৬:২০
দুর্গত: পরিবার নিয়ে ত্রিপলের নীচে দিন কাঠাচ্ছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য শেফালি চৌধুরী।

দুর্গত: পরিবার নিয়ে ত্রিপলের নীচে দিন কাঠাচ্ছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য শেফালি চৌধুরী। নিজস্ব চিত্র।

চারদিকে শুধু জল থইথই করছে। ঘরে, বাইরে সর্বত্রই জল। কেউ বাড়ির পাশে বাঁশের মাচা করে, কেউ ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে তৈরি করা বাঁধ ও উঁচু ঢিবিতে ত্রিপল টাঙিয়ে দিন গুজরান করছেন। রাতে সেই ত্রিপলের নীচে গবাদি পশুর সঙ্গেই মানুষের সহাবস্থান। খোদ এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যাও স্বামী-সন্তানদের নিয়ে উঁচু ঢিবিতে ত্রিপলের নীচে থাকছেন। গঙ্গার জলপ্লাবনে গত সাত দিন ধরে এমনই ছবি মানিকচক ব্লকের নারায়ণপুর চরে।

এ দিকে অভিযোগ, গঙ্গা নদী ঘিরে থাকা এই চরের দুর্গত অন্তত সাড়ে চারশোর বেশি পরিবার হলেও প্রায় একশো পরিবারের এখনও ত্রাণ হিসেবে ত্রিপল জোটেনি। জানা গিয়েছে, ব্লক প্রশাসনের তরফে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত সদস্যকে সাড়ে ৩০০ ত্রিপল ও ৩০ কুইন্টাল চাল দেওয়া হয়েছিল। সেসব বিলিও হয়েছে। বাকি ত্রাণ জোগাড়ে এখন পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী প্রায় প্রতিদিনই বিডিও অফিসে এসে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকছেন। কিন্তু কিছুই পাচ্ছেন না বলে দাবি।

এ দিকে ত্রাণে চাল পেলেও দুর্গতদের ভাত ফোটানোরও জো নেই। চরের বেচুটোলা গ্রামের একমাত্র রিং বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বাচ্চু চৌধুরী, হরেরাম চৌধুরীরা বলেন, "আমাদের কারও পরিবারেই রান্নার গ্যাস নেই। ঘরে যে সমস্ত জ্বালানি কাঠ ছিল সেসব জল ঢুকে ভিজে গিয়েছে। ফলে চাল পেলেও আমরা রান্না করতে পারছি না। ঘরে মজুত চিঁড়ে, মুড়ি খেয়ে দিন কাটাচ্ছি। প্রশাসন যদি আমাদের শুকনো খাবার পাঠায় তবে জীবন বাঁচে।" পাশাপাশি তাঁরা গবাদি পশুর জন্য খাদ্যের দাবিও
জানিয়েছেন।

এ দিকে, স্বামী ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে চরের ঢোরাইটোলার উঁচু ঢিবিতে আশ্রয় নেওয়া পঞ্চায়েত সদস্যা শেফালি চৌধুরী বলেন, "এখানে আমরা প্রায় ২০০ পরিবার ত্রিপল টাঙিয়ে দিন কাটাচ্ছি। সন্তানরা ছোট থাকায় এই উত্তাল গঙ্গায় নৌকা উজিয়ে বিডিও অফিসে যেতে পারছি না। স্বামীকে পাঠাচ্ছি ত্রাণ সামগ্রী আনতে। কিছু ত্রাণ দিলেও বাকি ত্রাণ না মেলায় অসহায় মানুষদের মধ্যে বিলি করতে পারছি না।" এ বিষয়ে মানিকচক ব্লকের বিডিও জয় আমেদ বলেন, "দুর্গতদের পর্যাপ্ত ত্রাণ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এই অভিযোগ খতিতে দেখা হবে।"

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy