কোথাও যথাসময়ে বহির্বিভাগে চিকিৎসক বসেন না। কোথাও হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্সের অভাব। সব মিলিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলার গ্রামীণ হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবা ক্রমে খারাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি গুরুত্ব গিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা।
সূত্রের খবর, আলিপুরদুয়ার-২, কুমারগ্রাম, মাদারিহাট বীরপাড়া-সহ একাধিক ব্লকের গ্রামীণ হাসপাতাল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র হাতেগোনা কয়েক জন চিকিৎসক নিয়ে চলছে।অভিযোগ, আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের শামুকতলা, তুরতুরি-সহ একাধিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপরে কয়েক হাজার বাসিন্দা নির্ভরশীল হলেও সেগুলিতে চিকিৎসকের সংখ্যা কোথাও এক জন, কোথাও আবার স্থায়ী চিকিৎসকই নেই। ঈবার কুমারগ্রাম ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব তো রয়েছেই, কোনও কোনও দিন নার্সের সংখ্যাও কম থাকছে। চলতি সপ্তাহে আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের যশোডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে বহির্বিভাগে চিকিৎসক না-বসায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রোগীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। শেষে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক নিজে সে দিন রোগীদের পরিষেবা দেন।
স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, স্বাস্থ্য দফতর গ্রামীণ হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক না দেওয়ায় দিনের পর দিন সমস্যা বাড়ছে। সেই সঙ্গে চাপ বাড়ছে জেলা হাসপাতালে। এই পরিস্থিতিতে গ্রামীণ হাসপাতালে এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসক বাড়ানোর দাবি উঠছে।
জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসকের কম থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)