Advertisement
E-Paper

Mount Everest: করোনার আশঙ্কা নিয়েই খুলছে এভারেস্ট

সাধারণত দুই মরসুমে এভারেস্ট অভিযান হয়ে থাকে। গ্রীষ্মে অর্থাৎ এপ্রিল-মে মাসে এবং শরতে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে।

কৌশিক চৌধুরী

শেষ আপডেট: ২৫ অগস্ট ২০২১ ০৬:৫৬
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

দরজায় করোনার তৃতীয় ঢেউ। আগামী মাস থেকেই সংক্রমণ বাড়তে পারে। এর মধ্যে নেপাল দিয়ে এভারেস্ট অভিযান নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল। করোনা আবহে এই অভিযান গত বছর পুরোপুরি বন্ধ ছিল। এ বছর এপ্রিলে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তার পরেই বেস ক্যাম্পে করোনা সংক্রমণ মেলে। পাহাড়ি এলাকার শেরপা ও এক কলকাতার বাসিন্দাকে নেপাল থেকে ফিরিয়ে আনতে হয়। এ সবের পরেও চলতি মাস থেকে নেপালের পর্যটন বোর্ড বিদেশিদের এভারেস্ট অঞ্চলে যাওয়া এবং ট্রেকিং করার অনুমতি দিতে শুরু করেছে।

সাধারণত দুই মরসুমে এভারেস্ট অভিযান হয়ে থাকে। গ্রীষ্মে অর্থাৎ এপ্রিল-মে মাসে এবং শরতে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। এ বারে গ্রীষ্মের মরসুমে করোনা সংক্রমণ মেলে। তার পরেও কী ভাবে শরতে নতুন অভিযানে ছাড়পত্র দেওয়া হল, তা নিয়ে পর্বতারোহীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পরিবেশপ্রেমী, পর্যটন সংস্থাগুলির অনেকের বক্তব্য, চিন দিয়ে অভিযান বন্ধ রাখা হলেও নেপাল রুট চালু করছে। কিন্তু কয়েক মাস আগে বেসক্যাম্প এবং ক্যাম্পং-১-এর পরিস্থিতি ভাল ছিল না। ফলে অভিযান নিয়ে আশঙ্কা ছড়িয়েছে দার্জিলিঙেও। কারণ, নেপালের বহু শেরপার নিজের বা আত্মীয়ের বাড়ি দার্জিলিং পাহাড়ে। আবার দার্জিলিঙের অনেক শেরপা এভারেস্ট অভিযান গিয়ে থাকেন।

নেপাল পর্যটন বোর্ড সূত্রের খবর, এ বছর এপ্রিল-মে মাসে ৪০৮টির মতো আবেদনে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। টাকাও জমা হয়েছিল বহু আগ্রহীর। কিন্তু করোনায় পরিস্থিতিতে বদল হয়ে যায়। অনেকে মাঝপথে ফিরে আসেন। তখন নিয়ম করা হয়, আরটিপিসিআর পরীক্ষা নেগেটিভ দেখিয়ে কাঠমান্ডু পৌঁছতে হবে। তার পরে নিজের খরচে পাঁচ দিন কোয়রান্টিন থাকার পর অনুমতি মিলবে বেস ক্যাম্পে যাওয়ার। এর পরেও বেস ক্যাম্পে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। মে মাসে বেস ক্যাম্পে পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল না বলে দাবি। তাতে বাড়তে থাকে সংক্রমণ।

পরিবেশপ্রেমী সংস্থা ন্যাফের কো-অর্ডিনেটর অনিমেষ বসু বলেন, ‘‘এ বারও সতর্কতা না নিলে পরিস্থিতি ভয়ানক হতে পারে।’’ কেন এই পরিস্থিতিতেও এভারেস্ট যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে নেপাল? সংশ্লিষ্ট লোকজনেরা বলছেন, এই অনুমতি দিয়ে প্রতি বছর অন্তত একশো কোটি টাকা রোজগার করে নেপাল। অনেক শেরপা এই সময়ের রোজগার থেকেই জীবন নির্বাহ করেন। ২০২০ সালে পুরোটাই বন্ধ ছিল। নেপাল সরকার না মানলেও বেসরকারি মতে, এ বারে এপ্রিল-মে মাসে বেস ক্যাম্পেই সংক্রমণ ৫০ ছুঁয়েছিল। পর্যটন সংগঠন হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড টুরিজ়ম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘‘নেপালের এভারেস্ট অভিযান এবং এলাকায় ট্রেকিং করে বহু লোকজন উত্তরের এই অঞ্চলেও আসেন। শেরপাও আছেন। কিন্তু সংক্রমণ ছড়ালে তা অবশ্যই চিন্তার।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy