E-Paper

উত্তরবঙ্গের বহু স্কুলেই এক কেন্দ্রে দুই পরীক্ষা

যদিও সংসদ কর্তৃপক্ষের দাবি, মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ে সীমিত পরীক্ষার্থী থাকায় উচ্চ মাধ্যমিক পরিচালনায় সমস্যা হবে না।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১৯
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

সকাল পৌনে ১১টায় মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা শুরু। আর সকাল ১০টা থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সিমেস্টারের প্রথম দিনের পরীক্ষা। আজ, বৃহস্পতিবার মাত্র ৪৫ মিনিটের ব্যবধানে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে বিপাকে পড়ে গিয়েছেন উত্তরবঙ্গের একাধিক স্কুলের কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, একাধিক স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের সঙ্গে হচ্ছে মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষাও। ফলে শ্রেণিকক্ষ, গার্ড দেওয়ার জন্য শিক্ষকের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এমনকি, একই কেন্দ্রে দুটি রাজ্য স্তরের পরীক্ষা থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের অন্তর ঘণ্টা বাজানোর ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হবে।

যদিও সংসদ কর্তৃপক্ষের দাবি, মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ে সীমিত পরীক্ষার্থী থাকায় উচ্চ মাধ্যমিক পরিচালনায় সমস্যা হবে না। ঐচ্ছিক বিষয়ে হাতেগোনা পরীক্ষার্থী থাকে। তাদের জন্য এক থেকে দু’টি ঘরের প্রয়োজন হবে। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহে ৭২টি ভেনুতে ৩৭৬৩, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৪১টি কেন্দ্রে তিন হাজার, শিলিগুড়িতে ৬টি কেন্দ্রে ২০০ জন এবং বাকি জেলাগুলিতেও মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ে শতাধিক পরীক্ষার্থী রয়েছে। জেলার সেই পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে উচ্চ মাধ্যমিকেরও সিট পড়েছে।

মালদহের হবিবপুরের বুলবুলচণ্ডী গিরিজা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ পাণ্ডে বলেন, “ঐচ্ছিক বিষয়ে পরীক্ষার্থী কম থাকলেও মাধ্যমিকের বাকি দিনগুলির মতোই পরীক্ষা নিতে হয়। সে সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের সাপ্লিমেন্টারি (প্রথম সিমেস্টারে কোনও বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হলে ফের পরীক্ষা) পরীক্ষা ও একাদশ শ্রেণিরও পরীক্ষা রয়েছে।” একাধিক পরীক্ষার পাশাপাশি একাধিক স্কুলের শিক্ষক বুথ লেভেল অফিসার হওয়ার কারণে তাঁরা এসআইআরের কাজে ব্যস্ত। তাই সমস্যা মেটাতে কোচবিহারে প্রাথমিক থেকে ২০ এবং উত্তর দিনাজপুরে ৫০ জন শিক্ষককে নেওয়া হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডভাইসরি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মানস ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘প্রাথমিকের কুড়ি জনের মতো শিক্ষকও পরীক্ষার দায়িত্বে থাকবেন।” আলিপুরদুয়ারের সংসদের পরামর্শদাতা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ভাস্কর মজুমদার বলেন, “মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম থাকায় পরীক্ষা পরিচালনায় সমস্যা হবে না।” উত্তর দিনাজপুরে রামপুর উচ্চ বিদ্যাপীঠের এক শিক্ষককে কালিয়াগঞ্জের ডালিমগঞ্জ স্কুলে পাঠানো নিয়ে সংসদের আর্জি ঘিরে হইচই শুরু হয়েছে। অভিযোগ, ওই নামের কোনও শিক্ষক নেই স্কুলে। সংসদের জেলার আহ্বায়ক সুব্রত সাহা বলেন, “কোথাও ভুল হয়ে থাকলে মিটিয়ে নেওয়া হবে।” জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের মতো জঙ্গল-ঘেরা জেলাগুলিতে উচ্চ মাধ্যমিক নিয়ে সতর্ক পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি বন দফতরও।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Malda

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy