ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর ‘কাজের চাপে’ আবার মৃত্যু এক বুথ স্তরের আধিকারিকের (বিএলও)। মৃতের নাম শ্রবণকুমার কাহার। বৃহস্পতিবার সেবকের করোনেশন সেতু থেকে তিস্তায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, পেশায় শিক্ষক শ্রবণ শিলিগুড়ি-১ ব্লকে বিএলওর দায়িত্বে ছিলেন। পরিবারের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরে এসাইআর নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাসে করে সেবকে পৌঁছোন ওই বিএলও। সেখান থেকে করোনেশন সেতু থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসায় পুলিশে খবর দেন তাঁরা। তিস্তায় জলের গভীরতা কম থাকায় ব্রিজের নীচ থেকেই দেহ উদ্ধার করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পাঠান তাঁরা।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছোন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে মেয়র জানান, এসআইআরের কাজের চাপে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন শ্রবণ। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাবেন তিনি।
অন্য দিকে, কাউন্সিলর সঞ্জয় পাঠক জানান যে, এসআইআরের কাজের চাপের বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয় শ্রবণের। কথায় কথায় আত্মহত্যা করার কথাও বলতেন ওই বিএলও। তিনি যে সত্যিই তা করে বসবেন তা কল্পনা করতে পারেননি কাউন্সিলর।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। গ্রাম থেকে শহর, বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছোতে শুরু করেছেন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও)। শুরু হয়ে গিয়েছে এনুমারেশন ফর্ম বিলিও।
- শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশের আরও ১১টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেও একই সঙ্গে শুরু হয়েছে এসআইআরের কাজ। যাঁরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন, তাঁদের জন্য অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করার ব্যবস্থা করেছে কমিশন।
-
ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া বুথভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করে দিল নির্বাচন কমিশন, নাম দেখা যাবে কমিশনেরই ওয়েবসাইটে
-
অন্ধকারে ঢিল ছুড়বে না সুপ্রিম কোর্ট! এসআইআর মামলায় ফর্ম-৬ নিয়ে তৃণমূলের দাবি ওড়ালেন প্রধান বিচারপতি
-
ট্রাইবুনালে কাজই শুরু হয়নি, প্রবেশেও বাধা! নতুন মামলা সুপ্রিম কোর্টে, কী হচ্ছে জানতে চাইবেন প্রধান বিচারপতি কান্ত
-
ভোটার ট্রাইবুনালের কাজ শুরু! মোথাবাড়ি মাথায় রেখে কঠোর নিরাপত্তা, দফতর দর্শনে গিয়ে কী দেখল আনন্দবাজার ডট কম
-
পরিকাঠামো তৈরি, সোমবারেই ট্রাইবুনালে শুরু হয়ে যাবে শুনানি! রবিতে জোকার অফিস ঘুরে দেখে সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন বিচারপতিরা