Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

Siliguri Hospital: ভিড় বাড়ছে শিলিগুড়ি হাসপাতালেও

হাসপাতাল সূত্রের খবর, তাদের ৮০ শতাংশই জ্বর-সর্দির মতো রোগে ভর্তি রয়েছে।

নীতেশ বর্মণ 
শিলিগুড়ি ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:২৩
জ্বরের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ বাচ্চাদের নিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভিড় মায়েদের। নিজস্ব চিত্র।

জ্বরের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ বাচ্চাদের নিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভিড় মায়েদের। নিজস্ব চিত্র।

কারও কাশি হচ্ছে, কোনও শিশু জ্বরে ঘামছিল, কারও শরীর দুর্বল থাকায় শয্যাশায়ী। হাসপাতালের ওয়ার্ডের মেঝেয় এবং বাইরে থাকা শিশুদের কেউ অসুস্থতার জেরে কেঁদে চলেছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের অন্তর্বিভাগে শিশু ওয়ার্ডের ছবি।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, তাদের ৮০ শতাংশই জ্বর-সর্দির মতো রোগে ভর্তি রয়েছে। এই হাসপাতালে গত রবিবার থেকে ভাইরাল জ্বরে ৩০টি করে শিশুকে ভর্তি করানো হয়েছে। শয্যা সংখ্যা ৩৪টি হলেও সোমবার ভর্তি ছিল ৬৮ শিশু। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আগে জেলা হাসপাতালে শিশুদের এমন ভর্তি একরকম নজিরবিহীন বলে মনে করছেন জেলা হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞেরাও।

শুধু অন্তবির্ভাগে নয়। বহির্বিভাগেও ভিড় উপচে পড়েছে রোগীদের। দূরত্ব বিধি না মেনে গা ঘেঁষাঘেষি করে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের দাঁড়াতে হয়েছে। তাতে যে কোনও সময় সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু এমন ভিড়ে কর্তৃপক্ষ কেন বিকল্প ব্যবস্থা নিচ্ছেন না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement

হাসপাতাল সূত্রের খবর, অন্যদিন বহির্বিভাগে ১০০-১৫০ মতো শিশু রোগীর ভিড় হয়। গত প্রায় এক সপ্তাহ থেকে তিনশোরও বেশি করে ভিড় হচ্ছে। সোমবার ৩৫০ শিশুর বেশিরভাগ জ্বর-সর্দির রোগী বলে জানান জেলা হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সুবীর ভৌমিক। তিনি জানান, সর্দি দিয়ে শুরু হয়ে ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হচ্ছে অনেক শিশু। দ্বিতীয় ঢেউয়ের আগে মানুষের সচেতনতা ছিল অনেক বেশি। এখন তা অনেকটাই কমেছে। অনেকে শিশুদের বাইরে ভিড়ের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছেন। রোদ-বৃষ্টির খামখেয়ালিপনাতেও অনেকের জ্বর হচ্ছে।

সুবীরবাবু বলেন, ‘‘কোনও ভাবেই শিশুদের ভিড়ে মধ্যে নিয়ে যাওয়া যাবে না। পরিবারের বড়রাও যদি ভিড়ের মধ্যে গিয়ে শিশুদের সঙ্গে মেলামেশা করেন তাতেও এই ভাইরাসজনিত জ্বরের সংক্রমণ বাড়তে পারে।’’ তিনি জানান, বহির্বিভাগে শিশুর অবস্থা খারাপ দেখলে করোনা পরীক্ষার সঙ্গে ডেঙ্গির পরীক্ষাও করানো হচ্ছে। পজ়িটিভ রোগী মেলেনি।

হায়দারপাড়ার বাসিন্দা সুব্রত কুণ্ডু ৩ বছরের ছেলেক নিয়ে জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘গত ২-৩ দিনের জ্বরের ওষুধ খাওয়ালেও সারেনি। ভিড়ের মধ্যে গিয়েছিল।’’

আরও পড়ুন

Advertisement