Advertisement
E-Paper

মমতার জয়ধ্বনি শুনে বাগান ছাড়লেন বার্লা

গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে আরও ছ’টি বাগানের সঙ্গে ডানকানের এই বাগানটিও অধিগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৫:১৯
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর খুলেছে বাগান। সকাল সকালই বাগানে হাজির হয়ে গিয়েছেন বিজেপির সাংসদ জন বার্লা ও বিধায়ক মনোজ টিগ্গাও। কিন্তু বাগান খোলার জন্য মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি শুরু হতেই কাটল সুর। বাগান ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন সাংসদ-বিধায়করা। তার আগেই বকেয়া মেটানোর দাবিতে শ্রমিকদের একাংশের তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয় বাগানে। যার জেরে খানিকটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের পিছনে বিজেপির হাত বলে অভিযোগ তৃণমূলের। সোমবার, এমন ঘটনা ঘটল বীরপাড়া চা বাগানে।

গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে আরও ছ’টি বাগানের সঙ্গে ডানকানের এই বাগানটিও অধিগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় বিরোধীরা বারবার প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির দিকে তোপ দেগেছেন। এরই মাঝে একাধিকবার বীরপাড়া চা বাগান খোলা ও বন্ধ হওয়ার ঘটনাও ঘটে। শেষবার ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে বাগান বন্ধ হয়ে যায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মুখে শিলিগুড়িতে একটি বৈঠক থেকে মালিকানা বদল করে দিন তিনেক আগে ফের বাগান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কিন্তু এ দিন বাগান খোলার অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই শুরু হয়ে যায় শ্রমিকদের একাংশের তুমুল বিক্ষোভ। এরই মাঝে সরকারি আধিকারিক ও তৃণমূল নেতাদের পাশাপাশি বাগানে পৌঁছে যান জন ও মনোজ। বাগান খোলা নিয়ে শিলিগুড়ির বৈঠকেও মনোজ ছিলেন। বাগানে পৌঁছে তাঁরা বিক্ষোভরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথাও বলেন। কিন্তু এরই মাঝে বাগান খোলার কৃতিত্ব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নামে জয়ধ্বনি শুরু হয়ে যায় বাগানে। তারপরই বাগান ছেড়ে বেরিয়ে যান বার্লা ও মনোজ। যদিও বার্লা বলেন, ‘‘ভোটের আগে একটা বাগান খোলা নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল। সে জন্যই সরকারের কথা না বলে নেতা-নেত্রীদের নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে। তাই আমরা বেরিয়ে এসেছি।’’

জন ও মনোজ বেরিয়ে যাওয়ার পরও অবশ্য বাগানে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বাগান শ্রমিক পরমেশ্বর ওরাওঁ, চম্পা ওরাওঁরা জানান, এর আগেও বাগান খোলার নামে বারবার তাঁরা রাজনীতির শিকার হয়েছেন। বোনাস সহ বকেয়া পাওনা না দেওয়া পর্যন্ত বাগানে তাঁরা যোগদান করবেন না। চা বাগান তৃণমূল মজদুর ইউনিয়ানের সভাপতি মোহন শর্মা বলেন, ‘‘জন বার্লারাই রাজনীতি করতে এ দিন বীরপাড়া চা বাগানে গিয়েছিলেন।’’ তৃণমূলের অভিযোগ, এ দিনের বিক্ষোভের পিছনেও বিজেপির হাত ছিল। বিধায়ক মনোজ বলেন, ‘‘এর আগেও শ্রমিকরা প্রতারিত হয়েছেন। তাই এ বার তাঁরা একবারে বকেয়া মেটানোর কথা বলেছেন।’’ তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের আর-এক নেতা মান্নালাল জৈন জানান, শ্রমিকদের বকেয়া মালিকপক্ষ ধাপে ধাপে মিটিয়ে দেবে।

BJP TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy