E-Paper

মালদহের তিন শ্রমিককে নিগ্রহের নালিশ ওড়িশায়

ওড়িশার জগৎসিংহপুর জেলার বালিকুদা থানা এলাকায় থাকেন ওই তিন জন। এদের মধ্যে আনারুল হক ও হেফজুর রহমান হরিশ্চন্দ্রপুরের ট্যাংটা ও বর্ণাহী এলাকার আর আবু হানজেরা রতুয়ার মালোপাড়ার বাসিন্দা। স্ত্রী ও নাবালক ছেলেকে নিয়ে আনারুল ১০ বছর সেখানে থাকেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৪৩

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

ওড়িশায় বাংলাদেশি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের ফের মারধর, হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ও রতুয়ার আক্রান্ত তিন ফেরিওয়ালাকে ওড়িশা না ছাড়লে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

ওড়িশার জগৎসিংহপুর জেলার বালিকুদা থানা এলাকায় থাকেন ওই তিন জন। এদের মধ্যে আনারুল হক ও হেফজুর রহমান হরিশ্চন্দ্রপুরের ট্যাংটা ও বর্ণাহী এলাকার আর আবু হানজেরা রতুয়ার মালোপাড়ার বাসিন্দা। স্ত্রী ও নাবালক ছেলেকে নিয়ে আনারুল ১০ বছর সেখানে থাকেন। আগেও আনারুল-সহ ওড়িশায় থাকা এ রাজ্যের বেশ কিছু শ্রমিককে বাংলাদেশি সন্দেহে শিবিরে আটকে রাখা হয়। যা নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কথা বলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। আনারুলরা ১০ দিন বাদে ছাড়া পান। তখনকার মতো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কিন্তু বাংলাদেশে হিন্দুদের কেন নিগ্রহ করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলে এক শ্রেণির শ্রমিককে বাংলাদেশি সন্দেহে ওড়িশায় হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। আনারুল বলেন, “এলাকায় দেখলে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে। পুলিশকে জানিয়েছি। ওরা হামলাকারীদের নাম জানাতে বলছে। আমরা ওদের নাম কী ভাবে জানব? আমরা কাজে যেতে পারছি না। এখানে থাকা অন্য শ্রমিকদেরও হেনস্থার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি।” হেফজুর বলেন, “সম্প্রতি একই সন্দেহে আমাকে আটকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়। এক সহকর্মী পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে।”

পরিযায়ী শ্রমিক ঐক্য মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক আসিফ ফারুক বলেন, “বাংলাদেশি সন্দেহে বার বার এমন হেনস্থার ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে ওড়িশায় মানবাধিকার কমিশনে মামলা করেছি। আনারুলদের হেনস্থার বিষয়টি নিয়ে ওখানকার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ওরা বিষয়টি দেখছে বলে জানিয়েছে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Migrant Workers Malda Odisha

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy