মালদহের চাঁচোল থানার চন্দ্রপাড়া এলাকায় তৃণমূলের বুথ সহ-সভাপতির খুনের ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। মৃতের নাম সেতাবুর রহমান (৪১)। তাঁকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সরিফা বিবির জায়ের সঙ্গে পরকীয়ায় জন্যই সেতাবুরকে খুন করা হয়েছে। অন্য দিকে পঞ্চায়েত সদস্যের অভিযোগ, তাঁর জাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল সেতাবুর। তখনই হাসুয়ার কোপে আঘাত লাগে তাঁর। কোপ লাগে জা নাইমা বিবিরও। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নাইমার স্বামী কামালুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান সেতাবুর। কিছু ক্ষণ পরেই বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে। একই সঙ্গে কোপানো অবস্থায় ২৯ বছরের নাইমা বিবিকেও পাওয়া যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় দু’জনকে পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেতাবুর ও নাইমাকে প্রথমে মালতীপুর গ্রামীণ হাসপাতাল, সেখান থেকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, সব শেষে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু আজ ভোরে মারা যান সেতাবুর। সেতাবুরের স্ত্রী আলিয়ারা বিবি বলেন, “রাতে ফোন করে আমার স্বামীকে ওরা ডেকেছিল। রাত ৯টা নাগাদ ফোন এসেছিল।”