Advertisement
E-Paper

দুই নির্দলেই ভূষণের ভাগ্য

রেবাদেবী পুরসভা ছাড়ার আগেই ভূষণবাবুর নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁর অনুগামীরা। ভূষণবাবুকেই চেয়ারপার্সন পদে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের রাজ্য নেতৃত্ব। সে কথা জানিয়েছেন, ভূষণবাবু নিজেই।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ জুন ২০১৭ ০২:০৮
অপেক্ষায়: বৈঠকের পথে ভূষণ সিংহ। নিজস্ব চিত্র

অপেক্ষায়: বৈঠকের পথে ভূষণ সিংহ। নিজস্ব চিত্র

দুই নির্দলের উপরেই আপাতত ঝুলে থাকল কাউন্সিলর ভূষণ সিংহের ভাগ্য।

বৃহস্পতিবার কোচবিহার পুরসভার বোর্ড মিটিঙে বিদায়ী চেয়ারপার্সন রেবা কুণ্ডুর পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। সেই সময় ডান-বাম সব পক্ষের কাউন্সিলররাই উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন দুই নির্দল কাউন্সিলরও।

রেবাদেবী পুরসভা ছাড়ার আগেই ভূষণবাবুর নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁর অনুগামীরা। ভূষণবাবুকেই চেয়ারপার্সন পদে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের রাজ্য নেতৃত্ব। সে কথা জানিয়েছেন, ভূষণবাবু নিজেই। কিন্তু বর্তমানে পুরসভার ১৯ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯ জন তৃণমূলের। তাই দুই নির্দল কাউন্সিলর বেঁকে বসলেই হাত ফসকে বেরিয়ে যেতে পারে চেয়ারপার্সন পদ।

সে রকম সম্ভাবনা অবশ্য নেই বলে দাবি করেছেন পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সন আমিনা আহমেদ। তিনি এ দিন অস্থায়ী ভাবে চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব নেন। তিনি বলেন, “গোড়া থেকেই ওই দুই নির্দল কাউন্সিলর আমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। তাঁরা আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।” ভূষণবাবু বলেন, “দল আমার নাম ঠিক করেছে। দলের যা নির্দেশ তা মেনেই আমি চলছি। যা বলার দলের নেতারাই বলবেন।”

তৃণমূল আশাবাদী হলেও দুই নির্দল কাউন্সিলর গৌতম বড়ুয়া এবং শম্পা রায় এ দিন জানিয়ে দেন, তাঁরা এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। গৌতমবাবু বলেন, “পরিস্থিতির দিকে তাকিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

এই অবস্থায় চেয়ারপার্সনের পদে লড়তে পারেন বামেরাও। তাঁদের নিজেদের ৮ জন কাউন্সিলর রয়েছে। দুই নির্দলের সমর্থন পেলেই ক্ষমতায় আসতে পারে তাঁরাও। পুরসভার বিরোধী দলনেতা মহানন্দ সাহা বলেন, “এই ব্যাপার বামফ্রন্ট বসে সিদ্ধান্ত নেবে।”

পুরসভা সূত্রের খবর, প্রায় দু’কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে চেয়ারপার্সন পদ থেকে পদত্যাগ করেন রেবাদেবী। এ দিনের বোর্ড মিটিঙে সেই পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। তা নিয়ে সকাল থেকেই পুরসভার সামনে ভিড় জমাতে শুরু করে তৃণমূল সমর্থকরা। সেই ভিড়ে ভূষণবাবুর অনুগামীদের সংখ্যাই ছিল বেশি।

অস্থায়ী চেয়ারপার্সন জানান, নিয়ম অনুযায়ী আগামী সাত দিনের মধ্যে জেলাশাসককে চিঠি দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানানো হবে। সব মিলিয়ে পনেরো দিনের মধ্যে নতুন চেয়ারপার্সন বেছে নেওয়ার কাজ শেষ হবে।

Bhushan Singh ভূষণ সিংহ Councillor Independent Councillors
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy