অধিগ্রহণ না করে জমি দখল করে সেখানে জলাধার তৈরির অভিযোগ উঠল শিলিগুড়ি পুরসভার বিরুদ্ধে। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ওই অভিযোগ করেন বিনয় চৌধুরী নামে সুভাষপল্লি এলাকার এক বাসিন্দা।
তাঁর অভিযোগ, ২০০৫ সালে পুরসভা জোর করে তাঁর জমিতে জলাধার নির্মাণ শুরু করে। সেই সময় পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন বর্তমান মেয়র অশোক ভট্টাচার্য। তিনি শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাঁরই উদ্যোগে প্রথমে পূর্ত দফতর কিছু জমি অধিগ্রহণ করেছিল। পরে তা এসজেডিএ-র হাতে যায়। যার মধ্যে তাঁর জমি ছিল না বলে বিনয়বাবু দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘জনসাধারণের সুবিধার জন্য জায়গাটি ছে়ড়ে দিতে রাজি আছি। জলাধারের জায়গা রেখে বাকি জমি পুরসভা ছেড়ে দিতে পারে। অথবা জমি বাবদ টাকা দিক। কোনওটাই মানতে রাজি নন পুর কতৃর্পক্ষ। তাই আদালতে গিয়েছি।’’ শিলিগুড়ির মেয়র অশোকবাবু পাল্টা দাবি, ‘‘উনি আদালতে গিয়েছেন। জমি কার তা আদালতেই ঠিক হবে।’’
সুভাষপল্লির বাসিন্দা বিনয়বাবুর দাবি, ১৯৭২ সালে পূর্ত দফতর তাঁর জমির পাশের কিছু জমি অধিগ্রহণ করে। পরে ১৯৯৮ সালে অব্যবহৃত ওই জমিটি নেয় এসজেডিএ। তাতে তাঁর কেনা ৭৮ ডেসিমেল জমি ছিল না। তার পরে এলাকার সব জমি জোর করে দখল করে ২০০৫ সালে পুরসভা সেখানে জলাধার নির্মাণ শুরু করে। স্থগিতাদেশ দিলেও কাজ বন্ধ হয়নি। এ বিষয়ে পুরসভার প্রাক্তন মেয়র গঙ্গোত্রী দত্তও বলেছেন, ‘‘আদালতে বিচারাধীন থাকায় এবং কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা না থাকায় আমাদের আমলে জমিটির কোনও সুরাহা করা যায়নি।’’