Advertisement
E-Paper

টিএমসিপি-র ভাঙচুর, অভিযোগ

স্মারকলিপি দিতে গিয়ে পুরসভায় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুর ২টা নাগাদ বামেদের দখলে থাকা দিনহাটা পুরসভায় ২টি চেয়ার, ২টি কম্পিউটার, টেবিলের কাচ ভাঙচুর হয়। ওই ঘটনাকে ঘিরে বাম নেতৃত্ব ও তৃণমূলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অগস্ট ২০১৪ ০২:৫৩
পুরসভায় ভাঙচুর। —নিজস্ব চিত্র।

পুরসভায় ভাঙচুর। —নিজস্ব চিত্র।

স্মারকলিপি দিতে গিয়ে পুরসভায় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুর ২টা নাগাদ বামেদের দখলে থাকা দিনহাটা পুরসভায় ২টি চেয়ার, ২টি কম্পিউটার, টেবিলের কাচ ভাঙচুর হয়। ওই ঘটনাকে ঘিরে বাম নেতৃত্ব ও তৃণমূলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, এ দিন কোচবিহারের পুর চেয়ারম্যান তৃণমূল নেতা বীরেন কুণ্ডুর শেষকৃত্য হয়। তার আগে পুরসভা অফিসের সামনে তাঁর দেহ রেখে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সে জন্য ফরওয়ার্ড ব্লক তাঁদের মহকুমাশাসকের দফতরের সামনে নির্ধারিত বিক্ষোভের কর্মসূচি বাতিল করে। অথচ এমন দিনে টিএমসিপি-র সদস্যরা আন্দোলনের নামে কী করে ভাঙচুর চালাতে পারে?

ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন, “কোনও ছাত্র সংগঠন কখনও পুরসভায় আন্দোলন করেছে বলে শুনিনি। পরিকল্পিত ভাবে পুর পরিষেবা ব্যাহত করার জন্য এমনটা করা হয়েছে।” তাঁর কথায়, “আমরা যেখানে কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যানের মৃত্যুর কারণে সম্মান জানিয়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠান বন্ধ রাখলাম সেখানে টিএমসিপি পুরসভায় ঢুকে ভাঙচুর করল। এ কেমন রাজনীতি?” পুরসভার চেয়ারম্যান চন্দন ঘোষ বলেন, “টিএমসিপি-র তরফে যে দাবি করা হয়েছিল, তার সব মেনে নিয়েছি। দাবি মেনে লিখিত ভাবে জল কর আপাতত বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছি। তার পরেও পাশের অফিস ঘরে গিয়ে ভাঙচুর চালায় তারা।” চন্দনবাবুর দাবি, “ঘটনার সময়ে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও বাধা দেয়নি।” পুলিশ সুপার রাজেশ যাদব দাবি করেন, ভাঙচুরের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল না। তিনি জানান, স্মারকলিপি দেওয়ার পরে ওই ঘটনা ঘটে। পুলিশ বাইরে ছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

তবে কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “দিনহাটা পুরসভা পরিষেবা দিতে পারছে না। তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তা নিয়েই স্থানীয় আন্দোলন হয়েছে। ঘটনার অন্য রূপ দিতে ফরওয়ার্ড ব্লক ভাঙচুর করে টিএমসিপির নাম দিচ্ছে।” টিএমসিপি-র জেলা সভাপতি সাবির সাহা রায়চৌধুরী বলেন, “আমাদের অভিযোগ মেনে নিয়েছিলেন চেয়ারম্যান। তিনি জলকর বন্ধ রাখবেন জানিয়ে স্মারকলিপি পত্রে সই করে দেন। আমাদের দু’জন ছাত্রকে পাশের ঘর থেকে ওই পত্রে সিল নিয়ে আসতে বলেন। ছাত্রেরা গেলে কয়েক জন দুর্ব্যবহার করেন। কথা কাটাকাটি হলেও ভাঙচুর হয়নি।”

পুরসভা সূত্রে খবর, এ দিন জলের পরিষেবা বেহাল, নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি, মশা মারতে উদ্যোগ, ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা সহ বেশ কিছু দাবিতে টিএমসিপি-র পক্ষ থেকে দিনহাটা পুর চেয়ারম্যানকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। চেয়ারম্যানের দাবি, লো-ভোল্টেজের কারণে পানীয় জল সরবরাহ ঠিক মতো হচ্ছে না। তিনি বলেন, “যতদিন সমস্যা থাকবে, ততদিন জলকর নেব না বলে জানানোর পরেও ভাঙচুর করা হয়।”

biren kundu cooch behar rampage tmc
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy