Advertisement
E-Paper

ডাল চাষে ঝোঁক হলদিবাড়িতে

ডালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ডাল চাষের দিকে ঝুঁকেছেন হলদিবাড়ির চাষিরা। তাঁদের দাবি, ডাল চাষে খরচ কম কিন্তু বাজার দর ভাল। কৃষকেরা জানান, প্রতি বছর টোম্যাটো ও লঙ্কা চাষ করে দাম পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে উৎকন্ঠা থাকে। বাজার ভাল হলে দাম পাওয়া গেলেও খারাপ হলে দাম পাওয়া যায় না। চাল, গম এবং ডালের দাম বাড়লে তা কমার সম্ভাবনা কম থাকে বলে জানান তাঁরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৩:৫৯

ডালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ডাল চাষের দিকে ঝুঁকেছেন হলদিবাড়ির চাষিরা। তাঁদের দাবি, ডাল চাষে খরচ কম কিন্তু বাজার দর ভাল। কৃষকেরা জানান, প্রতি বছর টোম্যাটো ও লঙ্কা চাষ করে দাম পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে উৎকন্ঠা থাকে। বাজার ভাল হলে দাম পাওয়া গেলেও খারাপ হলে দাম পাওয়া যায় না। চাল, গম এবং ডালের দাম বাড়লে তা কমার সম্ভাবনা কম থাকে বলে জানান তাঁরা।

কৃষি দফতর সূত্রে জানা যায় যে, ইতিমধ্যে হলদিবাড়ি ব্লকে মুগ, মুসুর এবং অড়হর ডাল ৩০০ হেক্টর এলাকায় চাষ হচ্ছে। বর্ষায় ১৫০ হেক্টর জমিতে খেসারির ডালের চাষও হয়েছে।

ব্লকের কৃষি আধিকারিক সঞ্জীব মৈত্রী বলেন, “একই জমিতে বার বার টোম্যাটো চাষ করলে জমির উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়। আমরা কৃষকদের বিকল্প হিসেবে ডাল চাষে উৎসাহিত করছি। ডাল অর্থকরী ফসল কিন্তু চাষের খরচ অনেক কম। এ বছর এখানকার চাষিরা ডাল চাষে এগিয়ে এসেছেন।”

Advertisement

দক্ষিণ বড়হলদিবাড়ি পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সুশান্ত দত্ত, হেমকুমারীর দিলীপ বর্মন উভয়েই দু’বিঘা জমিতে ডালের চাষ করছেন। সুশান্তবাবু মুসুর ডালের এবং দিলীপবাবু মুগ ডালের চাষ করবেন। দু’জনেই বলেন, “এত দিন টোম্যাটো আর লঙ্কা চাষ করেছি। এ বার ডাল চাষ করে দেখি কী হয়। আশা করি ডালের ভাল দাম পাব।”

কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাল চাষে খরচ ও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা দু’টোই কম। মুগ ও মুসুর ডালের ক্ষেত্রে এক বার চাষেই জমি তৈরি হয়ে যায়। তার পর প্রতি বিঘায় ২৫ কিলোগ্রাম ফসফেট এবং প্রয়োজন মত জৈব সার দিতে হয়। নভেম্বর, ডিসেম্বর মাসে চাষ শুরু হয়। তিন মাস পরেই ফসল তোলা যায়। অড়হর ডাল যে কোনও উঁচু জমিতে হয়। আলু, টোম্যাটো চাষের জমির ধার দিয়ে তা লাগানো যায়।

খেসারির ডাল বর্ষার সময়, জলা জায়গায় চাষ করা হয়। বর্ষায় চাষ শুরু হলেও গাছ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জমি শুকনোর দরকার হয়। এক বিঘা জমিতে মুগ এবং মুসুর ডাল তিন মণ এবং খেসারির ডাল চার মণ হয়।

পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সত্যেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “কৃষি ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য অবশ্যই দরকার। এই সময় ডাল চাষ লাভজনক। আমরা চাই কৃষি দফতর চাষিদের উৎসাহিত করুক। মুগ, মুসুর এবং খেসারির ডাল চাষ এখানে নতুন হলেও অড়হর ডাল চাষ অল্প এলাকায় হত। এখন কৃষকেরা হলদিবাড়িতে ব্যবসায়িক ভিত্তিতে ডালের চাষ শুরু করেছেন।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy