Advertisement
E-Paper

দম্পতির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘোষপুকুরে

নিজেদের ঘরের মধ্যেই পড়েছিল এক দম্পতির রক্তাক্ত দেহ। পাশে বসে কাঁদছিল তাঁদের শিশু সন্তান। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া থানার অধীন ঘোষপুকুর টোলগেট এলাকায় এই ঘটনার পরে পুলিশের প্রাথমিক ভাবে অনুমান, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই এই কাণ্ড ঘটেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ০২:৪৮

নিজেদের ঘরের মধ্যেই পড়েছিল এক দম্পতির রক্তাক্ত দেহ। পাশে বসে কাঁদছিল তাঁদের শিশু সন্তান। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া থানার অধীন ঘোষপুকুর টোলগেট এলাকায় এই ঘটনার পরে পুলিশের প্রাথমিক ভাবে অনুমান, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই এই কাণ্ড ঘটেছে। নিহতদের নাম রাজু কর্মকার (৩৬) ও স্ত্রী অগাথা কর্মকার(৩০)। তাঁদের একটি দু’বছরের মেয়ে রয়েছে। ঘটনার সময় শিশুটি ঘরেই ছিল বলে জানা গিয়েছে। রাজু ওই টোল গেটেই কাজ করতেন।

দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপার অমিত জাভালগি বলেন, ‘‘নিহত স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই সারা শরীরে ধারাল কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দ্রুত সমাধান সূত্র বার হবে বলে আমরা আশাবাদী।’’ তবে নিহতদের ঘরে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। তবে ঘর থেকে কিছু খোয়া গিয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কাজে যোগ দেননি রাজু। পাশেই ওই যুবকের মামার বাড়ি। দুপুর ১২টা নাগাদ রাজুর মামাতো বোন বাগানে ফুল তুলতে যান। সেই সময় তিনিই ঘরের ভিতরে বাচ্চাটির কান্নার আওয়াজ শোনেন। দরজাটি বাইরে থেকে লাগানো ছিল। তিনি দরজা খুলে দেখেন, ঘরের বিছানা, মেঝেতে রক্ত পড়ে রয়েছে। তিনি চিৎকার করে লোক ডাকেন। এরপরেই পুলিশের কাছে খবর দেওয়া হয় টোল গেটের কর্মী ওই যুবক ও তাঁর স্ত্রীর মৃতদেহ পড়ে রয়েছে তাঁর বাড়িতে।

এ দিনই দেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান রাতেই কোনও সময় খুন হয়ে থাকতে পারে। তারপরে কেউ খোঁজ না করায় ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে দেরি হয়। পুলিশ অবশ্য সূত্র পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে বেশ কিছু দিন ধরে বিবাদ চলছিল বলে পুলিশ জেনেছে। সেই সূত্রে কয়েকজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy