Advertisement
E-Paper

নকল হতে দেব না, সজাগ অভিভাবকেরা

মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে রাত জেগেছেন বাবা মারা। কেউ আবার ছেলে মেয়ের নোট তৈরিতে সাহায্য করছেন। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে পরীক্ষার্থীদের পাশে এ ভাবেই বিনিদ্র রজনী যাপন করেছেন অধিকাংশ অভিভাবক।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০২:৪৮
পরীক্ষার আগে। নিজস্ব চিত্র।

পরীক্ষার আগে। নিজস্ব চিত্র।

মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে রাত জেগেছেন বাবা মারা। কেউ আবার ছেলে মেয়ের নোট তৈরিতে সাহায্য করছেন। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে পরীক্ষার্থীদের পাশে এ ভাবেই বিনিদ্র রজনী যাপন করেছেন অধিকাংশ অভিভাবক। কার্যত মেধার দৌড়ে ছেলে মেয়েদের সাহায্য করতে পিছিয়ে নেই অভিভাবকরাও। সোমবার মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় যখন ক্লাসে পরীক্ষার্থীরা প্রশ্ন উত্তরে ডুবে থাকল, সে সময় বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে উৎকণ্ঠায় বসে থাকতে দেখা গেল অভিভাবকদের।

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন সকাল এগারোটা থেকেই দেখা গেলে রিকশা, অটো, টোটোতে করে অভিভাবকদের সঙ্গে আসছেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শুরু ঘন্টা পড়লেও পরীক্ষা কেন্দ্রের নিদিষ্ট দূরত্বে অপেক্ষা করতে থাকলেন অভিভাবকদের আধিকাংশ। আলিপুরদুয়ার হাইস্কুলের পাশে মাঠে বসে থাকতে দেখা গেলে বেশ কয়েকজন অভিভাবকে। অধিকাংশ দূর থেকে এসেছেন। সকালে বাড়ির রান্না সেরে আসা পূর্নিমা ধর, দীপালি চক্রবর্তী, রীতা সরকাররা জানান, শুধু পরীক্ষা শেষের জন্য অপেক্ষা নয়। ওই চত্বরে কেউ যাতে নকল দিতে না পারেন, সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখবেন তারা।

আলিপুরদুয়ার ম্যাকউইলিয়াম হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সুধাংশ বিশ্বাস জানান, মাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে তাল মেলান অভিভাবকেরাও। তাতে উৎকন্ঠা যেমন বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়ে। আবার বাড়িতে পড়াশোনার পরিবেশও তৈরি হয়। আলিপুরদুয়ার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শান্তনু দত্ত বলেন, “প্রতি বছর পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিভাবকরা প্রথমদিন আসতে পারেন।”

Advertisement

শিক্ষকদের একটা বড় অংশ জানান, অবশ্যই অভিভাবকদের একটা অংশ পরীক্ষার্থীদের সাহায্য করেন। তাদের সঙ্গে রাতজেগে নোট তৈরি। রেফারেন্স বই খুঁজে পড়ায় সাহায্যের চেষ্টা করেন। তবে এটাও ঠিক কিছু অভিভাবক অতি সজাগ। পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষাথী কোন কক্ষে বসল। সেখানে আলো আছে কি না, বেঞ্চটা নড়বড়ে কি না বা পাশে বসা ছেলেটা তাঁকে পরীক্ষা চলাকালীন বিরক্ত করবে কি না, তা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy