Advertisement
E-Paper

প্রতিবাদ

১৮ জানুয়ারি, সোমবার, আনন্দবাজার পত্রিকার শিলিগুড়ি সংস্করণের ১৮ নম্বর পাতায় দক্ষিণ দিনাজপুরের মহিলা পাচার নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। সেখানে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের সুজিত মুখোপাধ্যায় লেনের শ্রীমতি ঝুনু দেব নামের এক মহিলার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে ঝুনুদেবী ওই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। আমি তাঁর ছেলে হিসাবে প্রতিবেদনটি পড়ে চমকে উঠেছি।

শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:১১

১৮ জানুয়ারি, সোমবার, আনন্দবাজার পত্রিকার শিলিগুড়ি সংস্করণের ১৮ নম্বর পাতায় দক্ষিণ দিনাজপুরের মহিলা পাচার নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। সেখানে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের সুজিত মুখোপাধ্যায় লেনের শ্রীমতি ঝুনু দেব নামের এক মহিলার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে ঝুনুদেবী ওই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। আমি তাঁর ছেলে হিসাবে প্রতিবেদনটি পড়ে চমকে উঠেছি।

আমাদের পরিবারের লোকজনই প্রতিবেদনটি পড়ে আশ্চর্য হয়েছেন। আনন্দবাজারে এমন প্রতিবেদন পড়ে গোটা পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আনন্দবাজারের মতো বহুল প্রচারিত একটি সংবাদপত্রের থেকে খবরের সত্যতা যাচাই না করে করে এমন প্রতিবেদন পরিবেশন করাটা আশা করা যায় না। আমাদের পরিবারের গোটা জেলায় সুনাম রয়েছে। অনেকেই আমাদরকে চেনেন। কোনও সময় মিথ্যে অভিযোগ আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠেনি। কিন্তু এই প্রতিবেদনের জেরে আমাদের সুনাম মাটিতে মিশেছে। কে এই ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করে আনন্দবাজারের মতো বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রে পাঠিয়েছে এবং কী ভাবে তা ছাপাও হল তা জানাটা জরুরি হয়ে পড়েছে।

শ্রী বিপ্লব দেব। প্রযত্নে, শ্রীমতি ঝুনু দেব। সুজিত মুখোপাধ্যায় লেন। বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর।

Advertisement

আমরা ক্ষমাপ্রার্থী

‘উত্তরের চিঠি’তে প্রকাশিত চিঠিটি বালুরঘাটের চকভবানীর বাসিন্দা জয়দেব গুহ-র নামে আসে। যদিও ভুলবশত নাম-ঠিকানা বাদ পড়ে গিয়েছিল। চিঠিতে এ ভাবে কারও নামে কিংবা কোনও পরিবারের নাম করে অভিযোগ তুললে তা ছাপা হয় না। একেবারেই অনিচ্ছাকৃত ও ভুলবশত চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে। এর জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy