Advertisement
E-Paper

শ্লীলতাহানির অভিযোগ, ধৃত তিন

পড়শি এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সিপিএমের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য ও তার দুই ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের আঠারোখাই এলাকা থেকে শনিবার রাতে মাটিগাড়া থানার পুলিশ গৌর দাস সহ তাঁর দুই ছেলে তপন ও রতনকে গ্রেফতার করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ অগস্ট ২০১৫ ০১:২৪

পড়শি এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সিপিএমের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য ও তার দুই ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের আঠারোখাই এলাকা থেকে শনিবার রাতে মাটিগাড়া থানার পুলিশ গৌর দাস সহ তাঁর দুই ছেলে তপন ও রতনকে গ্রেফতার করে। রবিবার আদালতে রতনের জামিন মঞ্জুর হলেও বাকি দু’জনের জামিনের আবেদন নাকচ হয়ে যায়। তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। রাজনৈতিক কারণেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন গৌরবাবুর আইনজীবী থেকে সিপিএম নেতৃত্ব। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গৌরবাবুর বাড়িতে হামলা চালানোর পাল্টা অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। যদিও, এই বিষয়ে কিছুই জানা নেই বলে জেলা তৃণমূল নেতাদের দাবি।

শিলিগুড়ি পুলিশের ডিসি (পশ্চিম) শ্যাম সিংহ বলেন, ‘‘অভিযোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সবই খতিয়ে দেখা হবে।’’

গত পঞ্চায়েত ভোটে গৌরবাবু আঠারোখাই থেকে সিপিএমের প্রার্থী হয়ে, জয়ী হন। তাঁর ছেলে তপনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন থেকে প্রতিবেশী এক মহিলাকে উত্ত্যক্ত করার ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মাস ছয়েক আগেও তপনের বিরুদ্ধে মাটিগাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। গত শনিবার রাত ১১ টা নাগাদ ওই মহিলা মাটিগাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গৌরবাবু এবং তপনের বিরুদ্ধে। মহিলা জানায়, তাঁর স্বামী বাইরে থাকেন। তপন বহুদিন ধরে তাকে ফোনে, রাস্তায় কুপ্রস্তাব দিয়েছে বলে অভিযোগ। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরে পঞ্চায়েত সদস্য হিসেবে গৌরবাবুর কাছে গেলে গেলে সে ও তপন দুজনে মিলে তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তাতে গৌরবাবুর আরেক ছেলেও যোগ দেয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলার স্বামী বলেন, ‘‘আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। পরিবারের কেউ রাজনীতি করে না। আমি বাইরে থাকি। ওই নেতা ও তার ছেলের ভয়ে আমার স্ত্রী ও দুই মেয়ে আতঙ্কে রয়েছে।’’

Advertisement

সিপিএম নেতা তথা শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, মিথ্যা অভিযোগে তাঁদের নেতাদের ফাঁসানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘শ্লীলতাহানির অভিযোগ দেওয়া একটা সহজ ব্যপার হয়ে গিয়েছে। আমার বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ করেছিল কয়েকদিন আগে। ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল। আমাদের প্রাক্তন পঞ্চায়েতের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। পুলিশকে জানালেও কোনও পদক্ষেপ হয়নি।’’ যদিও এমন অভিযোগ ঠিক নয় বলে দাবি করেন আঠারোখাই অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি দুর্লভ চক্রবর্তী। তিনি দাবি করেন, ‘‘গোটাটাই পারিবারিক বিবাদ। ঘটনাচক্রে অভিযুক্ত সিপিএম নেতা। এতে তৃণমূলের কেউ যু্ক্ত নয়।’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy