Advertisement
E-Paper

সমাবর্তনে শংসাপত্র দেওয়া হবে গৌড়বঙ্গে

প্রতিষ্ঠান চালু হওয়ার ৮ বছর পরে মালদহের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন হচ্ছে। আট বছর পরে শংসাপত্র পেতে চলেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা সমস্ত কলেজের পড়ুয়া। ইতি মধ্যে সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে বৈঠকও করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে একটি কমিটি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৫ ০৩:১৬

প্রতিষ্ঠান চালু হওয়ার ৮ বছর পরে মালদহের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন হচ্ছে। আট বছর পরে শংসাপত্র পেতে চলেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা সমস্ত কলেজের পড়ুয়া। ইতি মধ্যে সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে বৈঠকও করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে একটি কমিটি। বিষয়টি প্রকাশ হতেই শিক্ষক মহল থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীরা খুশি প্রকাশ করেন। এই বিষয়ে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোপাল মিশ্র বলেন, ‘‘সমাবর্তন অনুষ্ঠান করার অনুমতি চেয়ে আচার্য তথা রাজ্যপালের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। তিনি সমাবর্তন করার অনুমতি দিয়েছেন। তবে দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এতে ছাত্রছাত্রীদের খুবই সুবিধে হবে।’’

২০০৮ সালে স্থাপিত হয় গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হয় মালদহের ১১টি কলেজ, উত্তর দিনাজপুরের চারটি এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের সাতটি কলেজ। ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিন জেলার এই কলেজগুলিতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসে পঠনপাঠন হতো। কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা পাশ করলে তাঁদের মার্কশিট দেওয়া হলেও শংসাপত্র দেওয়া হয়নি।

যার জন্য পড়ুয়াদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হতো। চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করার জন্য সার্টিফিকেটের পরিবর্তে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের ছাত্রছাত্রীদের মার্কশিটই ব্যবহার করতে হতো। এতে চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে বহু ছাত্রছাত্রী এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অবশেষে আট বছর পর পড়ুয়াদের আশা পূরণ হতে চলেছে।

অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই ছাত্রছাত্রীদের শংসাপত্র দেওয়া হয়। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং তিন জেলার ২২টি কলেজের প্রায় এক লক্ষ পড়ুয়ার হাতে চলতি বছরই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে।

এ ছাড়া স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের কৃতী ছাত্রছাত্রীদের মেডেল এবং পুরস্কারও দেওয়া হবে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে ৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে ১৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সদ্য গঠিত সমাবর্তন কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠান করার চেষ্ঠা চলছে। সমাবর্তন কমিটির আহ্বায়ক তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসমূহের নিয়ামক সনাতন দাস বলেন, ‘‘ছাত্রছাত্রীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দিতে পারলে আমরা খুবই খুশি হব। আশা করছি, ডিসেম্বর মাসের মধ্যে পড়ুয়ারা শংসাপত্র পেয়ে যাবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy