Advertisement
E-Paper

‘রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার জন্য স্মরণীয় থাকবেন’, মুকুল রায়ের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী মোদীর

রবিবার গভীর রাতে সল্টলেকের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় মুকুল রায়ের। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘ দিন ধরেই কিডনি-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে অসুস্থ ছিলেন এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫২
(বাঁ দিকে) মুকুল রায় এবং নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মুকুল রায় এবং নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সমাজমাধ্যমে মুকুলের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মুকুল রায়জির মৃত্যুতে আমি শোকাহত। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সমাজসেবামূলক উদ্যোগের জন্য তিনি স্মরণীয় থাকবেন।” মোদী মুকুলের পরিবার এবং অনুগামীদেরও সমবেদনা জানিয়েছেন। ইংরেজির পর বাংলাতেও শোকজ্ঞাপন করে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মুকুলের মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকজ্ঞাপন করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

রবিবার গভীর রাতে সল্টলেকের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় মুকুলের। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘ দিন ধরেই কিডনি-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে অসুস্থ ছিলেন এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’। মাঝেমধ্যেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হত। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন রবিবার গভীর রাতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মুকুলের মৃত্যুর খবর পেয়েই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। জানা গিয়েছে, হাসপাতাল থেকে দেহ নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথমে দুপুর ১২টা নাগাদ বিধানসভায় আনা হবে মরদেহ। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন বিধানসভার অধ্যক্ষ এবং অন্য জনপ্রতিনিধিরা। পরে কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে।

অসুস্থতার কারণে রাজনীতির ময়দান থেকে অনেকটাই দূরে সরে গিয়েছিলেন মুকুল। ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল। জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হন। পরে ফের তৃণমূলে যোগ দেন। তবে বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে তৃণমূলে যোগ দিলেও মুকুল খাতায়কলমে বিজেপি বিধায়ক হয়েই থেকে গিয়েছিলেন। তাঁকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যানও করা হয়েছিল। তাঁর বিধায়কপদ খারিজের মামলা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। কলকাতা হাই কোর্ট খারিজের রায় দিলেও সেই সিদ্ধান্তের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। তৃণমূল দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন রাজ্যসভার সদস্য থেকেছেন। জাহাজ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব সামলানোর পরে রেলমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। তবে রাজনীতির ময়দানে ‘বিধায়ক’ হিসাবেই যাত্রা শেষ করলেন এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’।

Mukul Roy PM Narendra Modi
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy