×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৫ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

‘বহিরাগত’ নয়, প্রার্থী করা হোক স্থানীয়দের, বালিতে পোস্টার, নিশানায় বৈশালী ডালমিয়া?

নিজস্ব সংবাদদাতা
বালি০২ ডিসেম্বর ২০২০ ২২:৪০
—ফাইল চিত্র।

—ফাইল চিত্র।

বহিরাগত ঢুকিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজ্যে অশান্তি বাধানোর অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। এ বার সেই তৃণমূলের অন্দরেই দানা বাঁধছে বহিরাগত বিতর্ক। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বহিরাগতদের বাদ দিয়ে জেলা জেলায় ভূমিপুত্রদের প্রার্থী করার দাবি উঠল হাওড়ায়। বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের মধ্যে। এ বার বালিতে পোস্টার পড়ল স্থানীয়দের মধ্যেই কাউকে দলের প্রার্থী করার দাবিতে। নাম না করে ওই পোস্টারে বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকেই ‘বহিরাগত’ হিসেবে নিশানা করা হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও বৈশালীর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকালে বাদামতলা-সহ বালির একাধিক জায়গায় ওই পোস্টার দেখা যায়। তাতে লেখা হয়, ‘বালির সক্রিয় তৃণমূল কর্মীদের মাননীয় দিদির কাছে অনুরোধ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বালিতে কোনও বহিরাগত নয়, বালির মানুষকে দলের প্রার্থী হিসেবে চাই’। এই দাবি জানানো হয়েছে তৃণমূলের সক্রিয় কর্মীবৃন্দের নামে। বেশ কিছু দিন ধরেই বৈশালীকে নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছিল জোড়াফুল শিবিরে। কিছু দিন আগে বালির বিধায়কের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন হাওড়া পৌরনিগমের প্রাক্তন কাউন্সিলর তফজিল আহমেদ। তাই এই পোস্টারের মাধ্যমে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক শিবির।

যাঁকে উদ্দেশ্য করে এই পোস্টার, তিনি পাল্টা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন। বৈশালী বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ভাবে চক্রান্ত করা হচ্ছে। যিনি আনছেন, তিনি দলের কেউ নন। তা ছাড়া আমাকে বহিরাগত বলা হচ্ছে। কিন্তু এই এলাকায় আমার বাড়ি আছে, সম্পত্তি আছে। আমি পুরো ঘটনা দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছি।’’

Advertisement



এই পোস্টারই দেখা গিয়েছে জায়গায় জায়গায়।

আরও পড়ুন: কৃষি আইন বাতিল নয়, কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিতে পারেন রাজনাথ সিংহ​

আরও পড়ুন: ২৬/১১ হামলার চক্রী তাহাউর রানা চেয়েছিল পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সামরিক পদক

এ নিয়ে রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা হাওড়া জেলায় তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কোথায় কাকে প্রার্থী করা হবে, তা দলনেত্রীই ঠিক করবেন। কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বকেই জানাতে পারেন দলের কর্মীরা। এ ভাবে রাস্তায় পোস্টার লাগিয়ে দলকে ছোট করা হচ্ছে। এই ধরনের আচরণ সস্তা রাজনীতির পরিচয়।’’

Advertisement